Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
BGBS

BGBS: রাজ্যে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের হাসপাতাল, বাণিজ্য সম্মেলনে ঘোষণা ডাঃ দেবী শেঠির

রাজ্যের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশিষ্ট চিকিৎসক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২২, ১৪:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২২, ১৪:০১

options
link
BGBS: রাজ্যে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের হাসপাতাল, বাণিজ্য সম্মেলনে ঘোষণা ডাঃ দেবী শেঠির zoom

সন্দীপ চক্রবর্তী: অঙ্গ প্রতিস্থাপনে ইতিমধ্যেই দেশের অন্যান্য হাসপাতালের থেকে এগিয়ে রাজ্য। কোভিড আবহেও ব্রেন ডেথ হয়ে যাওয়া ব্যক্তির অঙ্গ প্রতিস্থাপন করে মুমুর্ষ রোগীকে বাঁচিয়ে নজির তৈরি গড়েছেন চিকিৎসকেরা। বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে (BGBS) সেটাকেই ‘কি-নোট’ হিসেবে তুলে ধরেছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক দেবী শেঠি (Debi Sethi)। বৃহস্পতিবার বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের কেন্দ্র তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রতিস্থাপন কেন্দ্র তৈরির জন্য জমি চেয়েছেন রাজ্যের কাছে।

পাশাপাশি, রাজ্যের হেলথ কেয়ার ব্যবস্থারও উন্নয়নে বেশকিছু দিশা দেখিয়েছেন দেবী শেঠি। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন,”কলেজে পড়ে নার্স হওয়া যায় না। দরকার হয় হাতে কলমে রোগীকে পরিষেবা দেওয়া। তাই অন্তত রোগীকে সর্বক্ষণ পরিষেবা দেওয়ার মতো ব্যাপক সংখ্যক নার্স তৈরি করতে হবে রাজ্যে।” আর সেই জন্যই অন্তত ১ হাজার নার্সিং কলেজ তৈরির পরামর্শ দেন তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কিস্তির চেক বাউন্সের জেরে ‘খুন’! নৈহাটিতে গাড়ির শোরুম থেকে উদ্ধার যুবকের ঝুলন্ত দেহ]

ডা. দেবী শেঠির কথায়, “ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গে বিশ্বখ্যাত চিকিৎসকরা রয়েছেন। অসাধ্য সাধন করছেন। কিন্তু একটা বিষয় মনে রাখতেই হবে, এরা সকলেই কিন্তু গরিব ঘরের সন্তান।” বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনে মঞ্চ থেকে তিনি জানান, রাজ্যে ১ হাজার, এমনকী দেড় হাজার শয্যার হাসপাতাল রয়েছে। কিন্তু সেই অনুপাতে চিকিৎসক নেই। দেশে এখন কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা এখন ১০ লক্ষ। এই সংখ্যাটাকে ঠিক কতটা বাড়াতে হবে, তা সময় বলবে বলেই মনে করছেন এই বিশিষ্ট চিকিৎসক। এদিন তাঁর প্রস্তাব, “আমার প্রস্তাব ছোট ছোট মেডিক্যাল কলেজ তৈরি করা হোক।

ডা. দেবী শেঠির কথায়, “একটা অভিযোগ আসে বেসরকারি হাসপাতালগুলি বেশি চার্জ নেয়। আমার মনে হয়, এর কারণটা খুঁজে দেখার সময় এসেছে। ছোট ছোট মেডিক্যাল কলেজ যেখানে ১০০-১৫০ ছাত্র পড়াশোনা করতে পারবে, টাকাও কম লাগবে, তাহলে প্রচুর সংখ্যায় চিকিৎসক তৈরি হবে দেশে। অর্থাৎ আমাদের চিন্তাভাবনা বদল আনতে হবে।” তিনি মনে করিয়ে দেন, “বড় বড় চিকিৎসক এবং গবেষক নিম্নমধ্যবিত্ত ঘর থেকেই উঠে এসেছে। তাঁরা যদি চিকিৎসক হওয়ার সুযোগ পায়, তাহলে আগামিদিনে চিকিৎসকের ঘাটতিও অনেকটা কমে যাবে।” পাশাপাশি, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন দেবী শেঠি। দেশ-বিদেশের প্রতিনিধিদের সামনে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডেরও প্রশংসা করেছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: মদ্যপ চালকের হাতে স্টিয়ারিং, পরপর সাইকেল আরোহীকে ধাক্কা দিয়ে নয়ানজুলি পড়ল অ্যাম্বুল্যান্স]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.