সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চোট নিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এই চোট আসল নাকি রাজনৈতিক? বারবার ভোটের আগেই কেন চোট? সেই প্রশ্ন তুললেন বিজেপি সাংসদ। পালটা দিলেন তৃণমূলের জয়প্রকাশ মজুমদার।
মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি থেকে ফেরার পথে দুর্যোগের কবলে পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার। জরুরি অবতরণের সময় পা ও কোমরে চোট পান মমতা (Mamata Banerjee)। কলকাতায় ফিরে নিজের গাড়িতে চেপেই বিমানবন্দর থেকে সোজা চলে যান এসএসকেএম হাসপাতালে। হাসপাতালে ঢোকার পথে হুইলচেয়ার ফিরিয়ে দিলেও তাঁকে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায়। তাঁর হাঁটার সমস্যা স্পষ্ট ধরা পড়ে ক্যামেরায়। এরপরই চোটের স্থানে MRI হন তাঁর। সন্ধেয় মেডিক্য়াল বুলেটিনে এসএসকেএমের চিকিৎসক মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বাঁ পায়ের লিগামেন্টে চোট পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়াও পায়ের আরও কিছু অংশে লেগেছে। হিপ জয়েন্টে লিগামেন্টে আঘাত রয়েছে। আর সেই কারণেই তাঁকে হাসপাতালে ভরতির পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ভোটের আবহে হাসপাতালে ভরতি হতে রাজি হননি তিনি। জানিয়েছেন, যাবতীয় চিকিৎসা করাবেন বাড়িতে বসেই।
[আরও পড়ুন: সেনায় যোগ দিতে চেয়েছিলেন মমতা, ছেলেবেলার ইচ্ছের কথা নিজেই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী]
এবার সেই চোট নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা দিলেন দিলীপ ঘোষ। অন্যান্যদিনের মতোই বুধবার সকালেও প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছেন সাংসদ। সেখান থেকেই তিনি বলেন, “চোট পেয়েছেন, তাড়াতাড়ি সুস্থ হোন, সেই কামনা করি। কিন্তু এই চোট লাগল কী করে? আসল চোট নাকি রাজনৈতিক চোট? বুঝতে পারছি না বারবার ভোটের আগেই কীভাবে চোট পান।” এই মন্তব্যের পালটা দিয়েছেন জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও কারও আঘাত নিয়ে আমরা কোনও মন্তব্য করি না। কিন্তু দিলীপ ঘোষ শালীনতার সীমা পেরিয়ে গিয়েছেন। এটাই ওনার স্বভাব।”
[আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে ফের ঝরল রক্ত, গোসাবায় গুলিবিদ্ধ ১, উদ্ধার বোমা-আগ্নেয়াস্ত্র]
সর্বশেষ খবর
-
সাগরেই লুকিয়ে ইউরেনিয়াম খনি! পরমাণু শক্তি বৃদ্ধিতে চিনের ‘কেমিক্যাল ফাঁদ’, টেক্কা আমেরিকাকে
-
ডেলিভারির আড়ালে বাইক চুরি! সিসিটিভি দেখে বেলঘরিয়ার ‘বান্টি-বাবলি’কে ধরল পুলিশ
-
পুলিশ হেফাজতেই সোমনাথের থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার! ফের হাজতে নির্মল ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা
-
‘ট্রিপল ইঞ্জিনেও বিপর্যয়’, দিল্লিতে বাড়ি ভাঙার ঘটনায় ‘দায়বদ্ধতা’ নিয়ে প্রশ্ন রাহুলের
-
মুসলিম হয়েও দোকানের নামে হিন্দুত্বের ছোঁয়া! মালিকের ধর্ম পরিচয় লেখার ‘নিদান’ সনাতন জাগরণ মঞ্চর