সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা নিয়ে এখনও ধন্দ জারি। কত কোম্পানি বাহিনী আসবে তা স্পষ্ট নয়। এরই মাঝে পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে আদালতে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। হাই কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা না গেলে একাধিক দফায় ভোটের আরজি জানালেন তিনি।
দীর্ঘদ টানবাহানার পর বাহিনী চেয়ে মোট তিনবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। প্রথমবার হাই কোর্টের নির্দেশে প্রতি জেলার জন্য এক কোম্পানি করে ২২ কোম্পানি বাহিনী চাওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো আরও ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) চাওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে বেশ খানিকটা বাহিনী ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসে পৌঁছেছে। পরে আরও ৩১৫ কোম্পানি অর্থাৎ মোট ৩৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ভোটে অনুমোদন করা হয়েছে। কিন্তু রাজ্য চেয়েছে মোট ৮২২ বাহিনী। ফলে এখনও ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী নিয়ে কোনও তথ্যই নেই রাজ্যের কাছে। রবিবার বকেয়া বাহিনী পাঠানোর জন্য আরও একটি চিঠি পৌঁছয় দিল্লিতে। তা পাঠিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা।
[আরও পড়ুন: অব্যাহত পত্রযুদ্ধ, পঞ্চায়েতে বাহিনী চেয়ে ফের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি রাজ্য কমিশনের]
এই পরিস্থিতিতে সোমবার পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ভোট নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। তাঁর দাবি, যদি হাই কোর্টের নির্দেশ মতো বাহিনী না পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে বাড়ানো হোক দফা। তবে এই মামলার শুনানি কবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
[আরও পড়ুন: পঞ্চায়েতে লড়তে পারবেন ভাঙড়ের ৮২ ISF প্রার্থী? বড় নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের]
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!