Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চিবিয়ে খেতে হয়েছে ট্যাবলেট! মাকে জল দেয়নি হাসপাতাল, কমিশনে মেয়ে

শিবদাস ভাদুড়ি স্ট্রিটের নবজীবন হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০১৮, ১৪:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০১৮, ১৪:০১

options
link
চিবিয়ে খেতে হয়েছে ট্যাবলেট! মাকে জল দেয়নি হাসপাতাল, কমিশনে মেয়ে zoom
Advertisement

অভিরূপ দাস: খাবার জল তো দেওয়া হয়নি, মসুর ডালের জলটুকুও খেতে দেননি নার্সরা। হাসপাতালে জল ছাড়া রীতিমতো চিবিয়েই ট্যাবলেট খেতে হয়েছে বছর ছাপান্নর অমিতা ঘোষকে। দুঃসহ ওই চারদিনের কথা ভাবলে শিউরে উঠছেন দমদমের প্রৌঢ়া। “টানা চারদিন মাকে জল খেতে দেওয়া হল না কেন? হাসপাতালে গুচ্ছের টাকা নিলেও ন্যূনতম প্রয়োজনীয় চিকিৎসা মেলেনি।” এমন অভিযোগ নিয়ে স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশনে এলেন অনামিকা ও তার বোন অনুসূয়া।

ফেব্রুয়ারি মাসের ঘটনা। বাড়িতে আচমকাই বুকে ব্যথা অনুভব করেন অমিতা ঘোষ। পারিবারিক চিকিৎসক ডা. দেবাশিস চট্টোপাধ্যায়ের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। তিনি রেফার করেন ডা. রনজিৎ দেকে। তাঁর পরামর্শে ভর্তি করা হয় শিবদাস ভাদুড়ী স্ট্রিটের নবজীবন হাসপাতালে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[সাতসকালে দেশপ্রিয় পার্কে দুর্ঘটনা, বেপরোয়া বাসের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু]

কী হল সেখানে? পরিবারের লোকেদের অভিযোগ, ৯ ফেব্রুয়ারি অমিতাদেবীকে ভর্তি করার পর থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে শুরু করে। মেয়ে অনামিকা জানিয়েছেন, “ভর্তির দিন পরের দিন মাকে দেখতে গেলে দেখি সারা গায়ে ব়্যাশ বেরিয়ে গিয়েছে। চিকিৎসকরা বলেন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এদিকে কাঁদতে কাঁদতে মা জানায় হাসপাতাল থেকে জল খেতে দেওয়া হচ্ছে না মাকে।” দুঃসহ ওই চারদিনের কথা বলতে গিয়ে এখনও আতঙ্কে ভোগেন অমিতাদেবী। জানিয়েছেন, “জল তেষ্টা পেলেও জল দেওয়া হত না। ডালের জলটুকু খেয়ে তেষ্টা মেটাতে চাইতাম। কিন্তু তাও খেতে দিত না নার্সরা।” বুকে স্টেন বসানো রয়েছে তাঁর। কার্ডিওলজিস্ট উত্তেজিত হতে বারণ করেছেন। “কিন্তু নবজীবন হাসপাতালের চিকিৎসায় যে কোনও সময় আমার হার্ট অ্যাটাক হতে পারত।” বিস্ফারিত চোখে জানিয়েছেন তিনি।

[প্রাথমিক নিয়োগের চক্র ফাঁস, সিআইডির জালে পাণ্ডা]

হাসপাতালের সিইও নৃসিংহমুরারী দে জানিয়েছেন, বুকে স্টেন বসানো থাকলে অতিরিক্ত জল খেতে দেওয়া হয় না। তাতে রোগীর শরীরের অবনতি হতে পারে। কিন্তু পরিবারের লোকেদের অভিযোগ, ন্যূনতম প্রয়োজনীয় জল খেতে দেওয়া হয়নি অমিতাদবীকে। উল্টে রাতে জল চাইলে নার্সরা জানাত, আওয়াজ করবেন না। আমাদের ঘুমের ডিসটার্ব হয়।  নৃসিংহমুরারী দে মেনে নিয়েছেন, রোগীর পরিবারকে ঠিকমতো করে বুঝিয়ে বলতে পারেননি নার্সরা। সঠিক কাউন্সেলিং করলে এমনটা হত না।

তবে এখানেই শেষ নয়, চার দিনে প্রায় ৪৪ হাজার টাকা বিল করেছিল নবজীবন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷ অনামিকার অভিযোগ, কোনওরকম চিকিৎসা না করেই মাকে কয়েক গণ্ডা ওষুধ দিয়েছিল। পরে আমরা সেখান থেকে ছাড়িয়ে মাকে আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি করি। আরজি করের চিকিৎসকরা জানান, মায়ের কিছু হয়নি। শুধু ওঁর মধ্যে একটা ট্রমা কাজ করছে। বিশ্রাম দরকার। পরিবারের দাবি, মাত্র ২৪ ঘণ্টার বিশ্রামেই সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন অমিতাদেবী। ওখানে ভর্তি রাখলে আরও কয়েক হাজার টাকা বেরিয়ে যেত৷

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.