অভিরূপ দাস: স্বাভাবিক মৃত্যু না খুন! তাই নিয়ে ধুন্ধুমার বাধল পূর্ব কলকাতার রামকৃষ্ণ নার্সিংহোমে। বুধবার সকালে মারমুখী রোগীর পরিবার ঘেরাও করে নার্সিংহোম চত্বর। তাদের হাতে বেধড়ক মার খেলেন নার্সিংহোমের প্রবীণ মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। ঘটনার শুরু গত ১৬ এপ্রিল। ওইদিন থেকে নার্সিংহোমে ভর্তি ছিলেন বাগমারি বাজার এলাকার বাসিন্দা মিতা বসাক (৫৭)। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, মানসিক অসুখে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। খাবার খাচ্ছিলেন না। চিৎকার চেঁচামেচি করছিলেন। চিকিৎসার জন্য তাঁকে ভর্তি করা হয় কাঁকুড়গাছির নার্সিংহোমে।
[মেটিয়াবুরুজ কাণ্ডে মেয়েকে ফেরত চেয়ে পুলিশের কাছে আরজি বাবার]
রোগীর পরিবার জানিয়েছেন মঙ্গলবার পর্যন্ত রোগী ভালই ছিলেন। আচমকাই বুধবার সকালে নার্সিংহোম থেকে ফোন করা হয় পরিবারের লোকেদের। জানানো হয়, মারা গিয়েছেন মিতাদেবী। নার্সিংহোমে গিয়ে পরিবার পরিজনরা দেখেন মৃতের গলায় দাগ। এই দাগ দেখেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে রোগীর পরিবার। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ, “মৃতদেহের গলায় লাল দাগ। গলার দাগেই স্পষ্ট খুন করা হয়েছে ওঁকে।” মৃতের পরিবারের দাবি, “মানসিক রোগীকে সঠিকভাবে চিকিৎসা করার কায়দা জানেন না কর্তব্যরত চিকিৎসক। উনি প্রায়ই অস্থির হয়ে যেতেন। হয়তো নার্সিংহোমে ওনাকে শান্ত করতে গিয়েই গলা টিপে ধরেছিলেন কেউ।” নার্সিংহোম চত্বরে এরপরেই উত্তেজনা ছড়ায়। ঘেরাও করে রাখা হয় মনোরোগের ওই চিকিৎসককে। ফুলবাগান থানায় অভিযোগও দায়ের করেছে পরিবার। বিশাল পুলিশবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মারমুখী রোগীর পরিবারের হাত থেকে চিকিৎসককে নিয়ে আসা হয় থানায়।
[২ সপ্তাহ সহবাসের পর হবু স্ত্রীকে হাওড়ায় ফেলে চম্পট যুবকের]
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন