গোবিন্দ রায়: রাজ্যে জবকার্ডধারীদের কেন বেকার ভাতা দেওয়া হবে না, তা নিয়ে রাজ্যের কাছে ব্যাখ্যা তলব করল কলকাতা হাই কোর্ট। ১০০ দিনের কাজ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা করেছিল পশ্চিমবঙ্গ ক্ষেতমজুত সমিতি। সোমবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি বিভাস পট্টনায়েকের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি ছিল।
মামলাকারী পক্ষের বক্তব্য, ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের আইন অনুযায়ী জবকার্ডধারীদের কাজ দিতে না পারলে, রাজ্যকে তাঁদের বেকার ভাতা (আনএমপ্লয়মেন্ট অ্যালাওয়েন্স) দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে কেন রাজ্যকে ওই ভাতা দিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে রাজ্যের জবাব চাইল হাই কোর্ট। পুজোর ছুটির পর নভেম্বর মাসে এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সে দিনই নিজেদের বক্তব্য রিপোর্ট আকারে জানাতে হবে রাজ্যকে।
তৃণমূল বার বার দাবি করেছে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর থেকে আবাস যোজনা এবং ১০০ দিনের কাজের মতো প্রকল্পে এক পয়সাও বরাদ্দ করেনি কেন্দ্র। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে আর্থিক বরাদ্দ সংক্রান্ত শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবিও জানানো হয়। কিন্তু কোনও শ্বেতপত্রও প্রকাশ করা হয়নি।
কেন্দ্রের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছেন, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে রাজ্যকে ১০০ দিনের কাজ বাবদ কেন্দ্রের তরফে দেওয়া অর্থের পরিমাণ শূন্য। অর্থাৎ কোনও টাকাই বরাদ্দ করা হয়নি। কেন্দ্র বরাবর দাবি করে আসছে, বাংলার টাকা আটকে রয়েছে দুর্নীতির জন্য। দিন চারেক আগেই সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান দাবি করেন, “বাংলায় ১০০ দিনের কাজ নিয়ে বিস্তর বেনিয়ম হয়েছে। এই তহবিলের টাকা অন্য খাতে খরচ করা হয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে, আর সরকার অভিযুক্তদের আড়াল করেছে। প্রকল্পের নাম বদলে দেওয়াও হয়েছে। এই সবই হয়েছে বাংলায়।” এর মধ্যেই হাই কোর্টে নতুন করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল।
সর্বশেষ খবর
-
ঋতব্রতর ‘বিরোধী’ দলনেতা নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ করবে কালীঘাট? কল্যাণ বলছেন, ‘আদালতে প্রমাণ হবে’
-
নিজের রাজ্যের লিগেই অবিক্রীত রাহুল, আইপিএলে দারুণ ফর্ম সত্ত্বেও কেন এই অবস্থা?
-
প্রেমে প্রত্যাখ্যানের বদলা! অফিসে সহকর্মীদের সামনে তরুণীকে কুপিয়ে ‘খুন’ প্রাক্তন প্রেমিকের, প্রকাশ্যে ভিডিও
-
শুভেন্দুর পূর্ব মেদিনীপুর থেকে শুরু, প্রথম জেলা পরিষদ হাতছাড়া তৃণমূলের, পদ ছাড়লেন সভাধিপতি
-
সরকারি শিক্ষকরা প্রাইভেট টিউশন বন্ধ না করলে কড়া শাস্তি, নির্দেশিকা জারি শুভেন্দু সরকারের