Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Netaji Subhas Chandra Bose

কেন নেতাজির জন্মদিন ‘পরাক্রম দিবস’? ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতি বছর ২৩ জানুয়ারি 'পরাক্রম দিবস' হিসেবে পালিত হবে, ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২১, ২২:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২১, ২২:৫৫

options
link
কেন নেতাজির জন্মদিন ‘পরাক্রম দিবস’? ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘পরাক্রম দিবস’ বনাম ‘দেশনায়ক দিবস’। প্রথমটির সঙ্গে জড়িয়ে অভিধানের নিগূঢ় এক অর্থ। আর দ্বিতীয়টি জড়িত বিশ্বকবির উপাধির সঙ্গে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর (Netaji Subhas Chandra Bose) বীরত্ব, কাজের নিরিখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে ‘দেশনায়ক’ বলে অভিহিত করেন। তাঁর ১২৫ তম জন্মবর্ষে তাই ‘পরাক্রম’ আর ‘দেশনায়ক’ দিবস নিয়ে জোর রাজনৈতিক তরজা চলছে। ২৩ জানুয়ারি বাংলায় পালিত হচ্ছে ‘দেশনায়ক দিবস’রূপে। আর কেন্দ্র পালন করছে ‘পরাক্রম দিবস’। কেন ‘দেশনায়ক’ নয়, কেন ‘পরাক্রম’? শনিবার দুপুরে এই প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। সন্ধেবেলা কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের অনুষ্ঠান মঞ্চে তারই উত্তর দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)।

[আরও পড়ুন: মঞ্চে উঠতেই ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি, ভিক্টোরিয়ায় বক্তব্য রাখলেন না ‘অপমানিত’ মমতা]

‘পরাক্রম দিবস’ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছিলেন, “এটা কোন ভাষা? আমি জানি না।” মোদি ব্যাখ্যা দিলেন ‘পরাক্রম’ শব্দের। অভিধান বলছে, শৌর্য, বীর্য, শত্রুকে পরাজিত করা – এই সব কটি শব্দের সমার্থক ‘পরাক্রম’। অর্থাৎ এই শব্দ দিয়ে বীরত্বকেই বোঝানো হয়। পরাক্রমের সবকটি বিশেষণই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্য সুপ্রযুক্ত বলেই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে তিনি বললেন, ”এসব আমাদেরও পরাক্রম অর্থাৎ আমাদের দাপট এবং একইসঙ্গে আমাদের প্রেরণাও।” পাশাপাশি, তিনি ঘোষণা করলেন, প্রতি বছর ২৩ জানুয়ারি অর্থাৎ নেতাজির জন্মদিন গোটা দেশে ‘পরাক্রম দিবস’ হিসেবে পালিত হবে।

Advertisement

দুপুরে রেড রোডের ভাষণ থেকে মুখ্যমন্ত্রী কটাক্ষ করেছিলেন, পরাক্রম আবার কী? কেন এই নামকরণের আগে কেন্দ্র নেতাজি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাংলা শব্দটি নিয়ে আলোচনা করেনি? আর সন্ধেবেলা দীর্ঘ প্রায় আধঘণ্টার বক্তব্যের মাঝেমাঝেই নেতাজির উক্তি বাংলায় উচ্চারণ করে প্রধানমন্ত্রী বোঝালেন, বাংলা নিয়ে তিনিও কম অবগত নন। গোটা দেশবাসী তো বটেই, ‘নেতাজি’ আবেগের সঙ্গে বাংলার মানুষজন কতখানি একাত্ম, তা তিনি বুঝতে পারেন। তাই যথাযথ শব্দ দিয়েই তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: দেশের চার প্রান্তে রাজধানী চেয়ে ‘একনায়কতন্ত্র’ ভাঙার ডাক মমতার, কী প্রতিক্রিয়া বিজেপির?]

বিধানসভা ভোটে এবার বিজেপির স্লোগান হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘সোনার বাংলা’ তৈরি। দিল্লির বিজেপি নেতারা বারবার বাংলায় এসে এই প্রতিশ্রুতিই দিয়েছেন। এদিন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যও ছুঁয়ে গেল ‘সোনার বাংলা’কে। তাঁর মতে, নেতাজির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই  ‘সোনার বাংলা’ তৈরি সম্ভব। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.