Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Haltu case

লক্ষ লক্ষ টাকা লোন পাইয়ে ‘কমিশন’, হালতু কাণ্ডে গ্রেপ্তার আরও ১

এর আগে নিহতদের মামা, মামী এবং এক লোন রিকভারি এজেন্টকে এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৫, ১৩:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৫, ১৩:১১

options
link
লক্ষ লক্ষ টাকা লোন পাইয়ে ‘কমিশন’, হালতু কাণ্ডে গ্রেপ্তার আরও ১ zoom
Advertisement

নিরুফা খাতুন: হালতুতে সন্তান-সহ দম্পতির আত্মহত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও এক। ধৃত সোমশুভ্র মণ্ডল। একাধিক ব্যাঙ্ক এবং অ্যাপ থেকে কমপক্ষে ১০ লক্ষ টাকা লোন পাইয়ে দিয়ে ‘কমিশন’ হাতানোর অভিযোগ ওঠে। টানা জেরার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তাকে আদালতে তোলার কথা। এর আগে নিহতদের মামা, মামী এবং এক লোন রিকভারি এজেন্টকে এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গত ৪ মার্চ, হালতুর পূর্বপল্লির বাড়ি থেকে সোমনাথ এবং সুমিত্রা রায়ের দেহ উদ্ধার হয়। ঘরে ঝুলন্ত সোমনাথের বুকে বাঁধা অবস্থায় তাঁদের খুদে সন্তানের দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়, ছেলেকে আগে খুন করে তারপর নিজের শরীরের সঙ্গে বেঁধে তবেই গলায় ফাঁস দিয়েছেন সোমনাথ। ঘরের দেওয়ালে লেখা কিছু নাম, সম্পত্তি সংক্রান্ত কিছু তথ্য। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে আরও তথ্য হাতে পায় পুলিশ। উঠে আসে সোমনাথের মামা-মামির নাম।

Advertisement

জানা যায়, দেনা ছিল অটোচালক সোমনাথের মাথার উপর। ছেলের চিকিৎসার জন্য অটো ইউনিয়নের থেকে নাকি ৮ হাজার টাকা ধার করেছিলেন। কিন্তু মৃত্যুর ঠিক আগে সোমবার জীবনের সেই ঋণ শোধ করে দেন। এছাড়া অন্যান্য জায়গাতেও ধার ছিল, সেসব মেটাতে একটি অটো বিক্রি করেছিলেন সোমনাথ। তারপরও অশান্তি মেটেনি। হালতুর যেখানে তাঁরা থাকতেন, সেটা সোমনাথের মামারবাড়ি। এই সম্পত্তি নিয়ে মামা-মামির সঙ্গে ঝামেলা চলছিল। এই সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার পরই মৃতের মামা ও মামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এরপরই উঠে আসে চঞ্চল মুখোপাধ্যায়ের নাম। সুইসাইড নোটেই নাকি চঞ্চলের নাম লেখা ছিল। এই যুবক আদতে ব্যাঙ্কের লোন রিকভারি এজেন্ট। একটি ব্যাঙ্ক থেকে নাকি ১০ লক্ষ টাকা লোন নিয়েছিলেন সোমনাথ। সেই সংক্রান্ত বকেয়া নিয়ে মৃতদের বিভিন্নভাবে হেনস্তা করেন চঞ্চল, অভিযোগ এমনটাই। বাড়িতে গিয়ে অপমানজনক কথা বার্তাও বলেন। সেই কারণেই চঞ্চল মুখোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শনিবার গ্রেপ্তার হন সোমশুভ্র মণ্ডল নামে আরও একজন। সোমনাথকে লোন পাইয়ে দিতে সাহায্য করেছিল সোমশুভ্র।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.