১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

জালিয়াতি রুখতে ১২ দফা দাওয়াই পুলিশের

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 19, 2016 1:37 pm|    Updated: June 19, 2016 1:37 pm

An Images

কলহার মুখোপাধ্যায়: ব্যাঙ্ক জালিয়াতি রুখতে এবার রাস্তায় নামল বিধাননগর পূর্ব থানা৷ তদন্ত তো কোনও দুর্ঘটনার পর হয়৷ অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা যদি ঘটার আগেই আটকে দেওয়া যায়, তাহলেই তো কেল্লাফতে৷ কোমরের বেল্টটা তাই কষে বেঁধে সচেতনতার পাঠ দিতে বিধাননগরের রাস্তায় রাস্তায় এবার লিফলেট বিলি করতে নেমে পড়লেন পূর্ব থানার আধিকারিকরা৷ মোট ১২ দফার সাবধানবাণী সংবলিত একটি লিফলেট, যাতে লেখা আছে কী করবেন, কী করবেন না৷ জনে জনে হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে এই সাবধানবাণী৷ অনুরোধের সুরে বলা হচ্ছে, দয়া করে পড়ুন এবং মেনে চলুন৷ তাহলেই আপনার ক্ষতি আপনি নিজেই রুখে দিতে পারবেন৷
কী আছে এই লিফলেটে লেখা?
পিন নম্বর কাউকে জানাবেন না৷ অনলাইন ব্যাঙ্কিং পরিষেবার পাস ওয়ার্ড কাউকে দেবেন না৷ পাস বুক সুরক্ষিত স্থানে রাখুন৷ ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসে পরিষেবা নিতে আসার সময় অচেনা কারও সঙ্গে কথা বলবেন না৷ যাঁরা নিয়মিত পরিষেবা নিতে অভ্যস্ত তাঁরা একই সময়ে রোজ আসবেন না৷ রাস্তায় টাকা গুনবেন না৷ ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের কাউন্টারে কোনও অচেনা মানুষ ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করলে আমল দেবেন না৷ তারা চুলকানি ছড়ায় এমন বিষাক্ত কিছু শরীরে ছড়িয়ে দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে নিতে পারে৷ ব্যাঙ্কে যাতায়াতের পথে দেখুন কেউ অনেকক্ষণ ধরে আপনাকে ফলো করছে কিনা৷
এমন ১২ দফা সাবধানবাণী বিলি করছে বিধাননগর পূর্ব থানা৷ আর মুখে বলছে, শীঘ্রই ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনায় বসা হবে৷ নিরাপত্তা বাড়ানো হবে এটিএম কাউন্টারগুলির৷ পূর্ব থানার ইন্সপেক্টর ইন চার্জ দেবাশিস নাথের এই উদ্যোগে বেশ সাড়া পড়েছে এই ক’দিনে৷ তিনি যদিও বেশি কিছু বলছেন না৷ শুধু বললেন, মানুষ সবই জানে৷ তবে পুলিশের পক্ষ থেকে একটু মনে করিয়ে দিলে আরও সচেতন হয়ে চলাচল করবেন সবাই৷ আরও সাবধান হয়ে উঠবেন৷ এর জন্যই খাটাখাটনি করে এই প্রচার৷ আর ডিসি সন্তোষ পাণ্ডে বলছেন, এরকম উদ্যোগ সাধুবাদযোগ্য৷ অন্যান্য থানাগুলোতেও শুরু করতে পারলে ভাল হয়৷
এটিএমের পিন নম্বর হাতিয়ে নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে নেওয়ার ঘটনা পুরনো হয়ে গেছে৷ এদের থামানো পুলিশের কাছে একটা নতুন চ্যালেঞ্জ৷ পুলিশের বক্তব্য, টাকা চুরির পর এলে দুষ্কৃতী ধরা পড়লেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টাকা উদ্ধার হয় না৷ তাহলে উপায় কী? পুলিশ বলছে, প্রিভেনশন ইজ বেটার দেন কিওর৷ মানুষ নিজে থেকে সচেতন হলে টাকা জালিয়াতির ঘটনা এমনিতেই কমে যাবে৷ আর সাহায্যের জন্য পুলিশ তো আছেই৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement