Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Pratik Ur Rahaman

‘ভিক্ষা নয়, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মা-বোনেদের আত্মসম্মান’, প্রতীক উরের ‘ডিগবাজি’ বাড়াল দলবদলের জল্পনা

গত কয়েকদিন ধরেই চর্চায় বামনেতা প্রতীক উর রহমান। শোনা যাচ্ছে, তিনি কাস্তে হাতুড়ি ছেড়ে তৃণমূলে যাচ্ছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৩:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৩:৪০

options
link
‘ভিক্ষা নয়, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মা-বোনেদের আত্মসম্মান’, প্রতীক উরের ‘ডিগবাজি’ বাড়াল দলবদলের জল্পনা zoom
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রশংসা বামনেতা প্রতীক উর রহমানের।

গত কয়েকদিন ধরেই চর্চায় বামনেতা প্রতীক উর রহমান (Pratik Ur Rahaman)। শোনা যাচ্ছে, তিনি কাস্তে হাতুড়ি ছেড়ে তৃণমূলে যাচ্ছেন। এবিষয়টি খোলসা করেননি বামেদের এই তরুণ তুর্কি। তবে গুঞ্জনের মাঝে রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রতীক উর। বললেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মা-বোনেদের আত্মসম্মান। যা বাড়িয়ে দিল তাঁর শিবিরবদলের জল্পনা। অনেকেরই ধারণা, মন্তব্যের মধ্য দিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ বুঝিয়ে দিলেন প্রতীক উর।

ঠিক কী বলেছেন প্রতীক উর? তাঁর কথায়, “একটা সময় আমরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে বলতাম ভিক্ষা। এখন বুঝছি ওটা ভিক্ষা না, ওটা মানুষের অধিকার। মুখ্যমন্ত্রী মানুষকে তাঁদের অধিকার বুঝিয়ে দিয়েছেন। মা-বোনেরা তাঁদের আত্মসম্মান ফিরে পেয়েছেন। আমরা আগে ভুল বুঝেছিলাম। পরে বুঝেছি ওটাকে ভিক্ষা বলা যাবে না।” তিনি আরও বলেন, “আমরাও তো পরে স্বীকার করেছিলাম যে কাজগুলো ভালো করেছে রাজ্য। এটা অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই। আমরাও তো পরে বলেছি ক্ষমতায় এলে ভাতার পরিমান বাড়াবো।” এখানেই শেষ নয়, সিপিএম মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। প্রতীক উরের (Pratik Ur Rahaman) এই মন্তব্যেই স্পষ্ট তিনি তৃণমূলের পথে, এমনটাই দাবি বিশেষজ্ঞদের। যদিও প্রতীক উর সাফ জানিয়েছেন, তিনি একটি বাঁকের মুখে দাঁড়িয়ে। তার ওপারে কী রয়েছে তা তিনি নিজেও জানেন না।

Advertisement

প্রতীক উরের কথায়, “একটা সময় আমরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে বলতাম ভিক্ষা। এখন বুঝছি ওটা ভিক্ষা না, ওটা মানুষের অধিকার। মুখ্যমন্ত্রী মানুষকে তাঁদের অধিকার বুঝিয়ে দিয়েছেন। মা-বোনেরা তাঁদের আত্মসম্মান ফিরে পেয়েছেন। আমরা আগে ভুল বুঝেছিলাম। পরে বুঝেছি ওটাকে ভিক্ষা বলা যাবে না।”

উল্লেখ্য, পদত্যাগের চিঠি ও তৃণমূলে যোগের জল্পনায় গত কয়েকদিন ধরে শিরোনামে ডায়মন্ড হারবারের বাম নেতা তথা সিপিএমের রাজ্য ও জেলা কমিটির সদস্য প্রতীক উর রহমান। প্রথমে মুখ না খুললেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেলেছেন তিনি। বারবার তিনি বলেছেন দল নয়, কিছু নেতার উপর রাগ তাঁর। পদত্যাগের চিঠি দেওয়ার পর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম (Md Salim) যোগাযোগ না করায় যে ক্ষোভের আগুনে ঘি পড়েছে তা বলাই বাহুল্য। তবে তাঁর অভিমান শুধু দলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে কিন্তু নয়। নাম না করে সিপিএমের নতুন নেতাদের নিশানা করে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.