Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Primary Teacher Recruitment Scam

Primary Teacher Recruitment Scam: ‘অগ্রগতি কোথায়?’, প্রাথমিক নিয়োগ ফের তদন্তের গতি নিয়ে CBI-কে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের

বিচারপতি অমৃতা সিনহার প্রশ্নবাণের মুখে সিবিআই-ইডি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৩, ১৭:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৩, ১৭:০৯

options
link
Primary Teacher Recruitment Scam: ‘অগ্রগতি কোথায়?’, প্রাথমিক নিয়োগ ফের তদন্তের গতি নিয়ে CBI-কে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের zoom

গোবিন্দ রায়: ফের সিবিআইকে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের (Calcutta High Court)। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি (Primary Teacher Recruitment Scam) মামলায় তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে ক্ষুব্ধ বিচারপতি অমৃতা সিনহা। তাঁর প্রশ্ন, “তদন্তের অগ্রগতি কোথায়? সত্য খুঁজতে আর কতদিন সময় লাগবে?” তদন্ত কবে শেষ হবে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি সিনহা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উদ্দেশে তাঁর কড়া প্রশ্ন, “তদন্তে যথাযথ অগ্রগতি কোথায়? কত দ্রুত তদন্ত শেষ করতে পারবেন?”

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসের এই মামলা বিচারপতি সিনহার হাতে হস্তান্তরিত হয়েছে। তাঁর এজলাসেই এদিন রিপোর্ট পেশ করে সিবিআই। সেই রিপোর্ট দেখেই ক্ষুব্ধ হন বিচারপতি। তাঁর চোখা চোখা প্রশ্নবাণের জবাবে সিবিআই জানায়, “অভিষেক-কুন্তলের চিঠি সম্পর্কিত তদন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ হয়েছে। জেলের সিসিটিভি ফুটেজ আদালতের কাছে রয়েছে। সেটা না পেলে তদন্ত শেষ করা সম্ভব নয়।” আরও জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে ২ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজু ঝাঁ হত্যার সঙ্গে কয়লা পাচার যোগের সন্দেহ! CBI তদন্তের নির্দেশ দিল হাই কোর্ট]

পাশাপাশি আদালতে ইডির আইনজীবী জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ৩০০ কোটি দুর্নীতির সন্ধান আমরা পেয়েছি। ইডিকে আদালতের প্রশ্ন, ” আপনাদের আধিকারিকরা তদন্তে দক্ষ তো?” জবাবে ইডি জানায়, ‘নিশ্চয়ই।’ একমাস পরে তদন্তের অগ্রগতি রিপোর্ট পেশ করবে ইডি।

সকলের মন্তব্য় শোনার পর বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ, “জেলে কুন্তল ঘোষের উপর নজর রাখবেন জেল সুপার। কুন্তল ঘোষের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করবেন তিনি। আদালত চাইলে সেই ফুটেজ পেশ করতে হবে।” এর প্রেক্ষিতে সিবিআইয়ের সংযোজন, “কুন্তল ঘোষকে প্রথমে জেলের যে কক্ষে রাখা হয়েছিল, সেখানে কোন সিসিটিভি ছিল না। পরে যেখানে স্থানান্তর করা হয় সেখানে সিসিটিভি ছিল।”

[আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত ভোটে কেন অতিসক্রিয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন? আদালতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.