BREAKING NEWS

১৯ আষাঢ়  ১৪২৭  সোমবার ৬ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে অনড় মালিকরা, কলকাতার রাস্তায় নামছে না বেসরকারি বাস

Published by: Sulaya Singha |    Posted: May 31, 2020 1:00 pm|    Updated: May 31, 2020 1:12 pm

An Images

প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউন শিথিল হলেও ভাড়া না বাড়লে রাস্তায় বাস নামিয়ে লাভের মুখ দেখা সম্ভব নয়। এই কারণ তুলে ধরেই আপাতত বাস পরিষেবা চালু না করার সিদ্ধান্ত নিল বেসরকারি বাস মালিকদের একাংশ। রবিবার দুটি সংগঠন বৈঠকের পর নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

করোনা মোকাবিলায় রাজ্যের তরফে প্রথমে বলা হয়েছিল বাসে কুড়িজনের বেশি যাত্রী একসঙ্গে তোলা যাবে না। মানতে হবে সামাজিক দূরত্ব। যাত্রীদের মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। কনডাক্টরের হাতে থাকতে হবে গ্লাভসও। পরে অবশ্য নবান্ন জানায়, অন্যান্য বিধিনিষেধ বহাল থাকলেও বাসের আসন সংখ্যা যতজন, ততজন যাত্রীকেই তোলা যাবে। দাঁড়িয়ে কোনও যাত্রী যেতে পারবেন না। সেই ঘোষণার পর এদিন বৈঠকে বসে একাধিক বেসরকারি বাস সংগঠনের মালিকরা। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় আপাতত বাস চালানো সম্ভব হয়। মালিকরা জানান, বাসের ন্যূনতম ভাড়া সাত কিংবা আট টাকা। লকডাউনের আবহে ভাড়া বৃদ্ধি করা হচ্ছে না। অথচ বলে দেওয়া হয়েছে, দাঁড়িয়ে কোনও যাত্রী নিয়ে যাওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে বাস চালিয়ে কোনওভাবেই লাভ হবে না মালিকদের। কারণ তাঁরা দাঁড়িয়ে যাওয়া যাত্রীদের থেকে ভাড়া নিয়েই মোট লাভের অংশ হিসেব করেন। এই কারণেই ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে অনড় থাকছে বাস মালিকদের একাংশ।

[আরও পড়ুন: পঙ্গপালের হানাদারি ঠেকাতে কী করছে কেন্দ্র, মোদির ‘মন কি বাত’-এ মিলল না উত্তর]

তাঁদের দাবি, সরকার জানাক কত টাকা ভাড়া বৃদ্ধি সম্ভব। এই মর্মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আগামী ২ জুন ডেপুটেশন জমা দেওয়ার কথা বাস সংগঠনগুলির। সরকারের তরফে কোনও সাড়া মিললে তবেই রাস্তায় বাস নামানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বাস ভাড়া সংক্রান্ত আলোচনার জন্য আজই বৈঠকে বসবে আরও চার সংগঠন। 

এদিকে ১ জুন থেকে রাজ্যে অনেকটাই শিথিল হচ্ছে লকডাউন। খুলছে ধর্মীয় স্থান থেকে সরকারি-বেসরকারি অফিস। মেট্রো বন্ধ থাকায় বাসের উপরই বেশি নির্ভর করবেন নিত্যযাত্রীরা। কিন্তু এই সময় পর্যাপ্ত বেসরকারি বাস পরিষেবা না পাওয়া গেলে ভোগান্তির শিকার হতে হবে তাঁদের।শুধু কলকাতাই নয়, গোটা রাজ্যেই বেসরকারি বাসের অভাবে একই সমস্যা পড়বেন সাধারণ যাত্রীরা।

[আরও পড়ুন: দূষণ থেকে কলকাতাকে বাঁচাতে হাতে সময় মাত্র চার মাস, সাড়ে ছয় কোটি গাছ বসাবে রাজ্য]  

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement