BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদে প্রার্থী ঘোষণা করে কংগ্রেসের কোর্টে বল ঠেলল সিপিএম

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: March 8, 2019 8:26 pm|    Updated: April 20, 2019 4:44 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে বাম-কংগ্রেস জোট অথৈ জলে। আসন রফা নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই রায়গঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদ দুই আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করেই দিল বামফ্রন্ট। শুক্রবার সিপিএমের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল, তাদের দুই জেতা আসনে বর্তমান সাংসদরাই লড়াই করবেন। অর্থাৎ, রায়গঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন বর্তমান সাংসদ মহম্মদ সেলিম এবং মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন বদরুদ্দোজা খান। এদিন, আরও ঘোষণা করা হয়েছে শরিকদের জন্য মোট ৯ টি আসন ছাড়তে রাজি সিপিএম। তিনটি করে আসনে লড়বে আরএসপি, সিপিআই এবং ফরোয়ার্ড ব্লক। দার্জিলিং আসনটিতে নির্দল প্রার্থীকে সমর্থন করবে বামেরা। এই ঘোষণা কার্যত বাম-কংগ্রেসের আসন রফার দফারফা করে দিল।

[পোশাক নিয়ে দাদাগিরি টিএমসিপির! দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ কলেজে ছাত্রীকে হেনস্তা]

এদিন, বামফ্রন্টের তরফে জানানো হয়েছে, কংগ্রেসের জেতা চারটি আসনে তাঁরা এখনই প্রার্থী দিচ্ছে না। তাই আপাতত বহরমপুর, জঙ্গিপুর, এবং মালদহের দুটি আসনে প্রার্থী দেওয়া হচ্ছে না। তবে, প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে রায়গঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে। এই দুটি আসনকে কেন্দ্র করেই যাবতীয় জটিলতা। কংগ্রেসের দাবি, ওই দুটি আসনেই তাদের সংগঠন এখন বামেদের থেকে ভাল। রায়গঞ্জে প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি আবেগকে কাজে লাগিয়ে ভাল ফল করতে পারেন দীপা দাশমুন্সি। তাছাড়া, রায়গঞ্জ থেকে আগেও নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদে সিপিএম সংগঠন প্রায় শেষ। সম্প্রতি, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র রাহুল গান্ধীকে জানিয়ে এসেছেন, মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে সিপিএম,তৃণমূল ছেড়ে দলে দলে কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন। তাই ওই আসনটিও তাদেরই প্রাপ্য। ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেস সভাপতি আবু হেনাকে ওই কেন্দ্রে প্রার্থী করার ব্যপারটি কার্যত নিশ্চিত করে ফেলেছে কংগ্রেস।

[এনআরএস হাসপাতালে আগুন আতঙ্ক, দমকলের তৎপরতায় দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে]

এই দুই আসনের টানাটানিতে সিপিএম-কংগ্রেসের সম্ভাব্য আসন রফা এখন বড়সড় প্রশ্নের মুখে। কংগ্রেস এই দুই আসন ছাড়তে না চাইলে কোনওরকম আসন সমঝোতাই সম্ভব নয়, তা স্পষ্ট করেছে সিপিএম। প্রয়োজনে কংগ্রেসের জেতা আসনেও তাঁরা প্রার্থী দিতে চান একথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, এই দুই আসন না পেলে গোটা রাজ্যে চতুর্মুখী লড়াইয়ের পথেও হাঁটতে পারে কংগ্রেস।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement