BREAKING NEWS

১ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

স্নাতকদের পরীক্ষায় ধাঁচ বদল প্রশ্নের

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 21, 2016 2:15 pm|    Updated: June 21, 2016 2:15 pm

An Images

শ্রীষিতা ঘোষ: স্নাতক স্তরের পরীক্ষায় প্রশ্নের ধাঁচে রদবদল৷ নম্বর বাড়াতে এবার থেকে ওএমআর শিটে ‘মাল্টিপল চয়েস’ ধরনের প্রশ্নে পরীক্ষা দেবেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা৷ প্রতিটি বিষয়েই প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ মাল্টিপল চয়েস ধরনের প্রশ্ন থাকবে৷ বাকি নম্বর বরাদ্দ থাকবে সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নের জন্য৷ সর্বভারতীয় পরীক্ষাগুলির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷ ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই নয়া পরীক্ষাপতি চালু হতে চলেছে৷ প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের সাধারণ বিষয়গুলির ক্ষেত্রে এই ধরনের প্রশ্ন চালু করা হচ্ছে৷ অনার্স বিষয়ে ও তৃতীয় বর্ষের সাধারণ বিষয়গুলিতে যদিও পুরনো ধাঁচের প্রশ্নপত্রই বহাল থাকছে৷
তবে শুধুমাত্র প্রশ্নের ধাঁচেই নয়৷ উত্তরপত্র মূল্যায়ণ পদ্ধতিতেও আসতে চলেছে আমূল পরিবর্তন৷ আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করবেন সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যাপকরাই৷ তবে গোটা বিষয়টি দেখভাল করার জন্য বহিরাগত অধ্যাপক রাখারও ব্যবস্থা থাকবে৷ কোথাও কোনও অসংগতি থাকছে কি না তাঁরা খতিয়ে দেখবেন৷ যদি কোনও অসংগতির অভিযোগ আসে তবে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা হবে৷ পরীক্ষাপদ্ধতির খোলনলচে বদলাতে একদফা বৈঠক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷ কি ধরনের প্রশ্ন হবে, মূল্যায়ণ পতিই কেমন হতে চলেছে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই খসড়া রিপোর্ট তৈরি হয়ে গিয়েছে৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) স্বাগত সেন জানাচ্ছেন, “বিভিন্ন সর্বভারতীয় স্তরের পরীক্ষায় ‘মাল্টিপল চয়েস’ ধরনের প্রশ্ন আসে৷ আমরা তাই ছাত্র-ছাত্রীদের ওই ধরনের প্রশ্নের সঙ্গে অভ্যস্ত করানোর উদ্দেশ্যেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছি৷ তাছাড়া মাল্টিপল চয়েস ধরনের প্রশ্ন হলে নম্বর তোলাও অনেকটাই সহজ হবে৷” কলেজের অধ্যাপকদের দিয়ে মূল্যায়ন করানোর বিষয়টি নিয়ে স্বাগতবাবু বলেন, এতে অনেকটাই সময় বাঁচবে৷ মাল্টিপল চয়েস ধরনের প্রশ্নের আধিক্য হওয়ার কারণে স্বজনপোষণ, ইচ্ছাকৃত নম্বর কম দেওয়ার অভিযোগ থাকারও সম্ভাবনা কম রয়েছে৷ ফলে সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যাপকদের দিয়ে মূল্যায়ন করানো হলেও সমস্যা হবে না৷
এদিকে স্নাতকস্তরে সেমেস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা চালু করার বিষয়ে ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)৷ কিন্তু কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন প্রচুর কলেজ রয়েছে৷ সর্বত্র উপযুক্ত পরিকাঠামো না থাকায় এখনই সেমেস্টার প্রতি চালু করা যাচ্ছে না বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ইউজিসিকে জানানো হয়েছে৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement