৩০ আশ্বিন  ১৪২৬  শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের ধাক্কা খেলেন রাজীব কুমার। আলিপুর জেলা আদালতেও খারিজ হয়ে গেল তাঁর আগাম জামিনের আবেদন। এর ফলে সারদা কেলেঙ্কারি মামলার তদন্তে আপাতত অ্যাডভান্টেজ সিবিআই। এবার রাজীব কুমারের খোঁজে যত্রতত্র অভিযান চালাতে পারবেন সিবিআই আধিকারিকরা। আরও বিপাকে পড়লেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার। তবে তাঁর কাছে হাই কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করার পথ খোলা রয়েছে।

[আরও পড়ুন: আবার পুজোর উদ্বোধনে কমরেড তন্ময়! অস্বস্তিতে আলিমুদ্দিন]

শুক্রবার দিনভর আলিপুর জেলা আদালতে রাজীব কুমারের আগাম জামিন মামলাটির শুনানি হয়। সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের তরফে আইনজীবীরা প্রায় ঘণ্টা দুই ধরে সওয়াল-জবাব করেন। সারদা কেলেঙ্কারিতে রাজীব কুমারের আগাম জামিন মঞ্জুরের অর্থ বহু তথ্যপ্রমাণ জোগাড়ের কাজ আরও কঠিন করে দেওয়া। এই যুক্তি দেখিয়ে সিবিআই তাঁর আগাম জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে। দীর্ঘক্ষণ ধরে দুপক্ষের সওয়াল-জবাব শোনেন বিচারক। বিকেল নাগাদ তা শেষ হয়। এরপর তখনকার মতো রায়দান মুলতুবি রাখেন বিচারক। সন্ধে আটটার পর সমস্ত তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে তিনি রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদনটি খারিজ করে দেন। এর আগে বারাসতে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত এবং জেলা ও দায়রা আদালতেও একইভাবে ধাক্কা খেয়েছিলেন কলকাতার প্রাক্তন নগরপাল। তাঁর কাছে হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পথ খোলা থাকলেও, আগামী কয়েকদিনে ছুটি থাকায় সেখানে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদৌ তিনি আবেদন করতে পারেন কি না, সে বিষয়ে সংশয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ।
এই মুহূর্তে রাজীব কুমার নিখোঁজ। গত কয়েকদিন ধরেই তাঁর কোনও হদিশ পাচ্ছে না কেউই। আর এখানেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা কিছুটা হলেও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছেন। রাজীব কুমারের মতো দুঁদে আইপিএস অফিসারকে নাগালে পেতে মরিয়া তাঁরা। সম্ভাব্য সমস্ত জায়গায় তাঁরা অভিযান চালিয়েছেন রাজীবকে পাকড়াও করতে। কিন্তু প্রত্যেক জায়গা থেকেই খালি হাতে ফিরতে হয়েছে সিবিআই আধিকারিকদের। এমনকী রাজীবের নাগাল পেতে দিল্লি থেকে ১২ জনের বিশেষ প্রতিনিধি দলকেও পাঠানো হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। রাজীব কুমারের অবস্থান সম্পর্কে অন্ধকারে রাজ্য পুলিশও। ফলে আইনি লড়াইয়ে যতই তাঁকে প্যাঁচে ফেলতে সক্ষম হোক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, রাজীবকে হাতে না পেলে সেভাবে তদন্ত এগনো মুশকিল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

[আরও পড়ুন: উলটো সুর সুব্রতর গলায়, যাদবপুর কাণ্ডে উপাচার্যকে কাঠগড়ায় তুললেন মন্ত্রী]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং