৪ কার্তিক  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২২ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পার্টি লাইনে পূজার্চনা মহাপাপ৷ ঠাকুর-দেবতায় বিশ্বাস করেন না কমরেডরা৷ সাম্যবাদে ঈশ্বরের কোনও স্থান নেই৷ এই মতবাদেই এতকাল বিশ্বাস করতেন যে বামপন্থীরা, হঠাৎ তাঁদের হলটা কী? আলিমুদ্দিন স্ট্রিট সূত্রে খবর, গত কয়েক বছরের মতো এবারও দুর্গাপুজোয় গা ভাসাবেন কয়েকজন সিপিএম নেতা৷ যাঁদের মধ্যে অন্যতম উত্তর দমদমের বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য।

[ আরও পড়ুন: অসুস্থ যাদবপুরের উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যকে দেখতে হাসপাতালে রাজ্যপাল ]

জানা গিয়েছে, নিজের বিধানসভা কেন্দ্র এক বা একাধিক দুর্গাপুজো উদ্বোধনের আমন্ত্রণ পেয়েছেন এই দাপুটে সিপিএম নেতা৷ এবং খুশি মনে সেই সমস্ত আমন্ত্রণ গ্রহণও করেছেন তিনি৷ বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই অস্বস্তি বেড়েছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের নেতাদের৷ প্রশ্ন উঠেছে, সময়ের তাগিদে তবে কি এবার থেকে সরাসরি পুজোর উদ্বোধনেও যোগ দেবেন বাম নেতারা? অন্যান্য ডানপন্থী দলগুলির মতোই জনসংযোগের এই রাস্তা অবলম্বন করবেন তাঁরা৷ যদিও বিষয়টিতে ভুল কিছু দেখছেন না তন্ময় ভট্টাচার্য৷ তিনি জানান, পুজো উদ্বোধনে কোথাও নিষেধ করা নেই। বাঙালির এই উৎসবে সবার অংশগ্রহণের অধিকার রয়েছে৷ এতে কোনও সমস্যা নেই৷ যদিও সজ্ঞানে এই ধরনের আমন্ত্রণ তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে জানান বিধানসভায় বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী৷ তিনি বলেন, ‘‘পুজো উদ্বোধনের আমন্ত্রণ অনেক আসে। তবে আমি এড়িয়ে যাই৷’’ অন্যদিকে, তন্ময় ভট্টাচার্যকে সমর্থন করেছেন কামারহাটির সিপিএম বিধায়ক মানস মুখোপাধ্যায়। ২০১৭-তে একসঙ্গে ২৫টি পুজো উদ্বোধনের সিদ্ধান্ত নিয়ে যিনি আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের নেতাদের চরম অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন৷ এবং এখনও যিনি অনেক পুজোর সঙ্গে ব্যক্তিগত ভাবে যুক্ত৷

[ আরও পড়ুন: সংগঠন চাঙ্গা করতে ফের রাজ্যে মোহন ভাগবত, যোগ দেবেন সমন্বয় বৈঠকে ]

প্রসঙ্গত, তবে সিপিএম নেতাদের এই পুজোর ট্র্যাডিশনকে নতুন বলতে নারাজ রাজনৈতিক মহলের একাংশ৷ উদাহরণ স্বরূপ তাঁরা সবার প্রথমে তুলে ধরেছেন সুভাষ চক্রবর্তীকে৷ তারাপীঠে ‘জয় মা তারা’ রব তুলে, যিনি বিতর্কের মুখে ফেলে দিয়েছিলেন পার্টি লাইনকে৷ বেশির ভাগ নেতা সরাসরি দুর্গাপুজোর সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও, শহর থেকে জেলার প্রায় প্রতিটি পুজোতেই বামেদের বইয়ের স্টল চোখে পড়ে৷ এতকাল ধরে এভাবেই মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ বজায় রাখতে অভ্যস্ত তাঁরা৷ তবে কয়েক বছর ধরে আলিমুদ্দিনের অচলায়তনে আঘাত পড়তে শুরু করেছে, তা এ বছরও জারি থাকছে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং