দীপঙ্কর মণ্ডল: শেষপর্যন্ত সরিয়েই দেওয়া হল মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়কে (Kalyanmay Ganguly)। রাজ্যের নতুন পর্ষদ সভাপতির নাম ঘোষণা করল স্কুলশিক্ষা দপ্তর। বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে পর্ষদের নতুন সভাপতি হচ্ছেন রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়।
রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিদ্যার অধ্যাপক রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। এই প্রতিষ্ঠানে তিনি অস্থায়ী রেজিস্ট্রারের দায়িত্বও সামলেছেন। কেরিয়ারের শুরুতে রামানুজবাবু রাজ্যের একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও শিক্ষকতা করেছেন। এদিন স্কুলশিক্ষা দপ্তর পর্ষদের অ্যাডহক কমিটি ঘোষণা করে। যার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রামানুজবাবুকে। কমিটিতে ন’জন সদস্য আছেন। স্কুলশিক্ষা দপ্তরের দুই আধিকারিককে রাখা হয়েছে কমিটিতে। এছাড়াও পর্ষদ সচিব, উপ সচিব, কলকাতা জেলা শিক্ষা সংসদের সভাপতি কার্তিক মান্না, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষক অনুসূয়া মণ্ডলকে কমিটির সদস্য করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জটিলতা? হালিশহরের ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য]
প্রসঙ্গত, ২০১২ সাল থেকে পর্ষদ সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। কয়েকদিন আগেই পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের মেয়াদ শেষ হয়েছে। ফলত তাঁর জায়গায় নতুন কাউকে আনা হবে, না কি তাঁকেই ফের দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। এরই মাঝে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)–র শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর নাম জড়িয়েছে। কিছুদিন আগে কলকাতা হাই কোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশও দিয়েছিল। সিবিআইয়ের জেরার মুখোমুখিও হতে হয়েছিল কল্যাণময়কে। ফলে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিতর্কের মাঝেই কল্যাণময়কে সরিয়ে নতুন পর্ষদ সভাপতির নাম ঘোষণা করল স্কুল শিক্ষা দপ্তর।
[আরও পড়ুন: বিয়েবাড়ি থেকে ফেরার পথে বিপত্তি, দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল এক শিশু-সহ ৪ জনের]
সর্বশেষ খবর
-
‘বাস্তবতা বদলানো যায় না’, এলএসি সংলগ্ন ২৭টি এলাকার নামবদলে চিনকে পালটা জবাব ভারতের
-
দলের স্ট্র্যাটেজিতে হাত নেই, কাজ শুধু টিকিট বুকিং! ফেডারেশনকে বিঁধে বাজাজ বললেন, ‘শেম অন ইউ’
-
নেতাজির নামে বিধায়ক সেবা কেন্দ্র, বির্তকের মাঝেই বড় ঘোষণায় ‘মাস্টারস্ট্রোক’ মুখ্যমন্ত্রীর
-
জাতীয় সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে সিকিমের একমাত্র মেয়ে, বাইচুং কন্যাই যেন শিবরাত্রির সলতে
-
আন্তর্জাতিক যুব দিবস: সাফল্যের দৌড়ে হাঁপিয়ে উঠছে তরুণ মন! কেন দরকার ‘ইমোশনাল সেফটি’?