Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃষ্টি

অবশেষে নামল বৃষ্টি, তীব্র গরমের পর স্বস্তি ফিরল কলকাতায়

কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় হয়েছে বৃষ্টি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৯, ১৫:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৯, ১৫:০৬

options
link
অবশেষে নামল বৃষ্টি, তীব্র গরমের পর স্বস্তি ফিরল কলকাতায় zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আষাঢ় শেষে বৃষ্টি নামল কলকাতায়। এবছর শুরু থেকেই ঢিমে তালে আসছিল বর্ষা। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু উত্তরের উপর যতটা সদয় ছিল, ততটা দক্ষিণের উপর ছিল না। ফলে উত্তরবঙ্গ যেখানে প্রায় বানভাসি, দক্ষিণবঙ্গে তখন চাতকের দশা। তবে মঙ্গলবার সেই চাতকের তৃষ্ণা মিটল। ভরদুপুরে আকাশ কালো করে মুষলধারায় নামল বৃষ্টি। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিতে এখন কিছুটা স্বস্তিতে মানুষ।

[ আরও পড়ুন: মেমারির যুবকের অঙ্গে নতুন জীবন ৫ জনের, কাজে লাগছে ত্বকও ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছিলেন, আষাঢ়ে সাধারণত মেঘের ঘনঘটা থাকে আকাশে। কিন্তু এবছর ব্যতিক্রম। মাস শেষে হতে চলল, অথচ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ প্রায় মেঘমুক্ত। জুলাইয়ের শুরুতে সাগরের নিম্নচাপ সেই ছবি বদলানোর কিছুটা ইঙ্গিত দিলেও বর্ষার ‘দ্বিচারিতায়’ মৌসুমি অক্ষরেখা সরে যায় হিমালয়ের পাদদেশে। ফলে অতি বৃষ্টিতে উত্তরবঙ্গ ভাসলেও কলকাতা-সহ দক্ষিণে বৃষ্টির ঘাটতি রয়ে গিয়েছে। কিন্তু বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সেই কারণে অস্বস্তি আরও বাড়ছিল। গরমে হাসফাঁস দশা ছিল শহরবাসীর। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত দৃশ্যটা ছিল একইরকম। কিন্তু বেলা বাড়তেই রোদ ক্রমশ কমতে থাকে। দুপুরবেলা আকাশ কালো করে মুষলধারে বৃষ্টি নামে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায়।

২০০৯ সালে তীব্র এল নিনোর দাপটে তেমন বৃষ্টিই হয়নি দেশে। ২০১৪ ও ২০১৫ সালের পর দু’বছর আবার ঘাটতি দেখা গিয়েছিল বর্ষায়। তখনও দায়ী ছিল এল নিনো, অর্থাৎ প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণ জলতল। এ বারও এল নিনো রয়েছে, তবে তা দুর্বল। তাতেই ক্ষতবিক্ষত বর্ষা। ১৯৯৭ সালের পর ২০১৯ সালে শুষ্কতম জুন দেখেছে মহানগর। এবার জুলাইয়ের কপালেও হয়তো সেই তকমাই জুটতে চলেছে। কারণ সোমবার অবধি কলকাতাতেই বর্ষার ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৭৭%। হাওড়ায় ঘাটতি ৭২%। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ঘাটতির পরিমাণ ৪৯ শতাংশ। এই পরিস্থিতি গত দশ বছরে কখনও হয়নি। তিন ভাগের এক ভাগ বৃষ্টি হয়নি দেশে। ২০০৯ ও ২০১৪ সালের খরার বছরের খুব কাছাকাছি থাকবে চলতি মরসুমে অনাবৃষ্টি। এই পরিমাণ বৃষ্টি হলে এখন পর্যন্ত বৃষ্টির ঘাটতি কীভাবে মিটবে তা নিয়ে সংশয়ে আছেন আবহবিদরা। বাড়তে থাকা তাপমাত্রা আর আর্দ্রতার সাঁড়াশি চাপে খাবি খাওয়াই দক্ষিণবঙ্গের ভবিতব্য। মঙ্গলবারের বৃষ্টি শহরবাসীকে কতক্ষণ স্বস্তি দেবে, তা নিয়েও ধন্দে বিশেষজ্ঞরা।

[ আরও পড়ুন: বঙ্গীয় চলচ্চিত্র পরিষদের পরামর্শদাতা কমিটিতে বামপন্থী বিপ্লব! ]

ছবি: শুভাশিস রায়

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.