৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

জ্যোতিবাবু নমস্য আর বুদ্ধদেব অপদার্থ, বললেন রেজ্জাক

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: May 31, 2016 10:40 am|    Updated: May 31, 2016 10:40 am

An Images

দীপঙ্কর মণ্ডল: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে ‘অপদার্থ’ তকমা দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা৷
জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেবের পর এবার মমতার মন্ত্রিসভাতেও সদস্য হয়েছেন তিনি৷ তিন মুখ্যমন্ত্রী নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ফের বিস্ফোরক ‘চাষার ব্যাটা’৷ সোমবার বিধানসভায় বিধায়ক হিসাবে শপথ নিয়েই সিপিএমের বিরু‌দ্ধে ফের ক্ষোভ উগরে দিলেন৷ গলায় পরিচিত গামছা৷ রেজ্জাক জানালেন, “কোনও পদের জন্য লালায়িত নই৷ জ্যোতিবাবু নমস্য ব্যক্তি ছিলেন৷ বুদ্ধ অপদার্থ৷ আর মমতা কথা দিলে কথা রাখেন৷ আমি ওঁর প্রতি কৃতজ্ঞ৷” এদিন শুভেন্দু অধিকারী, সৌমেন মহাপাত্র, সাধন পাণ্ডে, শান্তিরাম মাহাত, অবনী জোয়ারদারের মতো মন্ত্রীরাও বিধায়ক হিসাবে শপথ নিয়েছেন৷ বিধানসভায় ঢোকার মুখেই সিপিএম বিধায়ক আনিসুর রহমানের সঙ্গে দেখা রেজ্জাকের৷ মজা করেই তিনি পুরনো বন্ধুকে বলেন, “আমি তো সিপিএমটা করতাম৷ আর তুমি চামচাগিরি করছ৷” সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামে জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে সিপিএমের নেতাদের বিরু‌দ্ধে মুখ খুলেছিলেন৷ পার্টি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নতুন দল গড়েছিলেন৷ কয়েক মাস আগে তৃণমূলে যোগ দেন৷ এবার খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দফতরের মন্ত্রী৷ সল্টলেকের ময়ূখ ভবনে নিজের দফতরে এদিন যান৷ এ প্রসঙ্গে রেজ্জাকের বক্তব্য, “এই দফতর আমার নিজের হাতে তৈরি৷ রাজ্যের উন্নতিতে কাজ করব৷” ১৯৭৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত টানা ক্যানিং পূর্ব আসনে জিতেছেন৷
সকাল ন’টা থেকে এদিন শপথগ্রহণ শুরু হয়৷ তবে প্রথমার্ধে অনেকেই অনুপস্থিত ছিলেন৷ বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ নৌসর আলি কক্ষে শপথ নেন সাবিনা ইয়াসমিন৷ কক্ষ প্রায় খালি৷ বসে ছিলেন প্রোটেম স্পিকার জটু লাহিড়ী৷ তিনি জানালেন তখনও চার বিধায়ক শপথ নেননি৷ প্রস্তাবিত স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, কংগ্রেসের এক বিধায়ক অসুস্থ৷ সিপিএমের অশোক ভট্টাচার্য আগামিকাল শপথ নেবেন৷ বাকি দু’জন এদিনই আসবেন৷ প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার স্পিকার নির্বাচন৷ এদিন সচিবের কাছে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে মনোনয়ন দিয়ে আসে তৃণমূলের পরিষদীয় দল৷ মুখ্যমন্ত্রীও ইতিমধ্যে তাঁর নাম প্রস্তাব করেছেন৷ সর্বসম্মতিক্রমে বিমানবাবুর স্পিকারের চেয়ারে বসা সময়ের অপেক্ষা৷
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিধায়কের শপথ নেন উজ্জ্বল বিশ্বাস৷ মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে কারিগরি শিক্ষা দফতরে আনবেন ঘোষণা করায় অনেকে এগিয়ে এসে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান৷ মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে শপথ নেওয়ার পর সই করতে গিয়ে দেখেন তাঁর পকেটে কলম নেই৷ সিপিএমের আনিসুর রহমান কলম বাড়িয়ে দেন৷ তা গ্রহণ না করে অন্যের থেকে কলম নিয়ে সই করেন সাধন৷ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র বিধায়কের শপথ নিয়েই নিজের দফতরে চলে যান৷ আলিপুরদুয়ারের সৌরভ চক্রবর্তী, খেজুরির রঞ্জিত মণ্ডলের মতো বিধায়করা এদিন খোশমেজাজে ছিলেন৷ বিধানসভার তরফে তাঁদের হাতে ট্রলি ব্যাগ উপহার দেওয়া হয়েছে৷ বহু বিধায়কের নিজস্ব গাড়ি নেই৷ স্মার্ট ফোনের অ্যাপস খুলে তাঁরা বিধানসভার গেট থেকে ওলা কিংবা উবের চেপে গন্তব্যে রওনা হয়েছেন৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement