অরিজিৎ গুপ্ত, হাওড়া: মদ্যপানের প্রতিবাদ। হাওড়ায় নবান্নের সামনে হেনস্তার শিকার হলেন প্রাক্তন এক বক্সার। এমনকী, দুষ্কৃতীরা তাঁর ছেলেকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। তখন বাধ্য হয়ে শূন্যে গুলি চালান আক্রান্ত বক্সার। ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
[আরও পড়ুন: প্রতারণা মামলায় স্বস্তি মুকুলের, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা খারিজ করল হাই কোর্ট]
হাওড়ার শিবপুরে নবান্নের কাছেই থাকেন অমিত সামন্ত। একসময়ে বক্সিং করতেন, পাড়ায় যথেষ্ট ডাকাবুকো হিসেবেই পরিচিত তিনি। প্রাক্তন ওই বক্সারের দাবি, শনিবার রাতে তাঁর বাড়ির সামনে বসেই মদ্যপান করছিল চারজন যুবক। আপত্তি করলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করে তারা। এমনকী, অমিতবাবুকেই মদ্যপান করার ‘অফার’ দেওয়া হয়। শেষপর্যন্ত অমিতবাবুর সঙ্গে স্থানীয়রা চিৎকার-চেঁচামেচি করায় চলে যায় ওই চারজন মদ্যপ যুবক। কিন্তু কিছুক্ষণ পর দলবদল জুটিয়ে ফের প্রাক্তন ওই বক্সারের বাড়ির সামনে হাজির হয় দুষ্কৃতীরা। বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে রীতিমতো হুমকি দিতে থাকে তারা। ভাঙা হয় বেশ কয়েকটি মদের বোতলও। অমিত সামন্তের দাবি, চিৎকার-চেঁচামিচি শুনে যখন বাড়ির বাইরে বেরোন তাঁর ছেলে অরিন্দম, তখন তাঁর পেটে মদের ভাঙা বোতল ঢুকিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় দুষ্কৃতীরা। ছেলেকে বাঁচাতে শূন্যে গুলি চালান প্রাক্তন বক্সার অমিত সামন্ত। ভয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।
আক্রান্ত বক্সারের দাবি, শিবপুর থানায় ফোন করে ঘটনাটি জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তাঁকে ফোন করে হুমকি দিচ্ছে দুষ্কৃতীরা। পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন এলাকার মানুষ। তাঁদের বক্তব্য, রাত নামলেই নবান্ন থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে ওই এলাকায় তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা। বাড়ির সামনে, এমনকী উঠোনেও মদের আসর বসে। প্রতিবাদ করলেও হুমকি দেওয়া হয়।
[ আরও পড়ুন: শূন্যপদে নিয়োগের দাবিতে DYFI-র মিছিল, ধুন্ধুমার কলকাতা পুরসভায়]
সর্বশেষ খবর
-
পর্যটক টানতেই ঝাড়গ্রামজুড়ে দেহ ব্যবসার রমরমা! নেপথ্যে মোটা অঙ্কের খেলা? কী বলছে পুলিশ
-
বাঁচলেও একসঙ্গে, মরলেও! পরকীয়ায় পরিবার বাধ সাধতেই এক শাড়িতে গলায় ফাঁস দেওর-বউদির
-
সামনে ব্রাজিল-উরুগুয়ে, স্বপ্নের ম্যাচের আগে ‘স্মার্ট’ ফুটবলের বার্তা খালিদ জামিলের
-
মণ্ডপে ২০৮ ছবির সঙ্গে ‘মানুষ’ উত্তম কুমারও, শতবর্ষে শহরের পুজোয় মহানায়ককে শ্রদ্ধা
-
পোস্ত-কুমড়ো ভাজা খাওয়াতে হবে! ৩০০ ফুট উঁচু টাওয়ারে উঠে শর্ত বাদশার, থ উদ্ধারকারীরা