Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

রোজভ্যালি-কাণ্ডে জামিন পেলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় 

২৫ লক্ষ টাকা বন্ডে শর্তাধীন জামিন পেয়েছেন অভিযুক্ত তৃণমূল সাংসদ৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০১৭, ০৫:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০১৭, ০৫:৫২

options
link
রোজভ্যালি-কাণ্ডে জামিন পেলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়  zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রোজভ্যালি-কাণ্ডে জামিন পেলেন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়৷ শুক্রবার সকালে ওড়িশা হাই কোর্টে কোর্টে জামিন পান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ২৫ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত  বন্ডে শর্তাধীন জামিন পেয়েছেন অভিযুক্ত তৃণমূল সাংসদ৷ অসুস্থতার কারণে তাঁর জামিনের আবেদন মঞ্জুর হয়৷

বিচারপতি তাঁকে জামিন দেওয়ার সময় তিনটি শর্তের কথা উল্লেখ করেছেন বলে একটি সূত্রের খবর৷ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর পাসপোর্ট সিবিআইয়ের কাছে জমা রাখতে হবে৷ রোজভ্যালি-কাণ্ডে তিনি কোনও সাক্ষীকে প্রভাবিত করতে পারবেন না৷ এদিন সিবিআইয়ের আইনজীবী আদালতে প্রভাবশালী তত্ত্বে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামিনের বিরোধিতা করলেও আদালত সেই আর্জি খারিজ করে দেয়৷ প্রায় সাড়ে চার মাস পর জামিন পাচ্ছেন সুদীপ৷ সূত্রের খবর, সম্ভবত আগামিকাল তিনি মুক্তি পাচ্ছেন৷ তাঁর জামিনের খবরে খুশি স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, জামিনের প্রতিক্রিয়ায় যা বলার দল তৃণমূল কংগ্রেস বলবে৷

Advertisement

[নির্দেশ না মানলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা পরিষদে যাবে ভারত]

রোজভ্যালি কাণ্ডে অভিযুক্ত সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গত ৩ জানুয়ারি গ্রেপ্তার করে সিবিআই। তারপর থেকে দফায় দফায় তাঁকে জেরা করা হয়। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, তাঁর থেকে বেশ কিছু তথ্য মিলছে যা তদন্তে সহায়ক। কৃষ্ণনগরের সাংসদ তাপস পালকেও রোজভ্যালি কাণ্ডে হেফাজতে নেয় সিবিআই৷ গ্রেপ্তারের পরই দু’জনকেই নিয়ে যাওয়া হয় ভুবনেশ্বরের সংশোধনাগারে৷ সুদীপবাবু এমনিই অসুস্থ৷ জেলবন্দি অবস্থায় তাঁর শারীরিক অবস্থার খুবই অবনতি হয়৷ তাঁকে দফায় দফায় হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়৷ তাঁকে দেখতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সী৷ মমতা আগেই অভিযোগ করেছিলেন, যেহেতু সংসদে নোটবন্দি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন লোকসভার দলনেতা সুদীপ, সেই জন্যই তিনি প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন৷ প্রথম থেকেই দল সুদীপবাবুর পাশে ছিল৷ তাঁর মুক্তির দাবিতে আন্দোলনও হয়েছে মহানগরের রাস্তায়৷ স্বয়ং নেত্রী তাঁকে দেখতে ভুবনেশ্বরের হাসপাতালে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন৷

[ফের বাড়তে পারে ট্রেনের ভাড়া]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.