BREAKING NEWS

২৭ আষাঢ়  ১৪২৭  রবিবার ১২ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

কর্মী নিয়োগে ইংরাজি-হিন্দি মাধ্যমেই ভরসা, বিজ্ঞাপনের জেরে বিতর্কে সেনকো গোল্ড

Published by: Sayani Sen |    Posted: November 21, 2019 10:11 am|    Updated: November 21, 2019 4:16 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি কি বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? তাহলে হবে না। কিন্তু ইংরাজি কিংবা হিন্দি মাধ্যমে পড়াশোনা করলেই মিলতে পারে সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস সংস্থার আইটি বিভাগে চাকরি। সম্প্রতি এমনই এক বিজ্ঞাপনের কথা লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলার এক সংস্থা কীভাবে বাংলা ভাষাকে বঞ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে সমালোচনায় সরব বাঙালি।

আইটি বিভাগে কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস। বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়। তাতে উল্লেখ করা হয় সংস্থার বালিগঞ্জ শাখা অফিসের জন্যই মূলত কর্মী নিয়োগ করা হবে। সংস্থার প্রধান শর্ত আবেদনকারীকে অবশ্যই ইংরাজি এবং হিন্দি মাধ্যমে পড়াশোনা করতে হবে। বাংলা মাধ্যমে লেখাপড়া করা কাউকে যে ওই শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে না, তা প্রত্যক্ষভাবে না বললেও পরোক্ষে সেই বার্তাই দেওয়া হয়। ওই বিজ্ঞাপন দেখে তাজ্জব বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা করা তরুণ-তরুণীরা। কলকাতার নামী গয়না বিপণন সংস্থাগুলির মধ্যে প্রথম সারিতেই রয়েছে সেনকো গোল্ড এবং ডায়মন্ডস। বাংলায় ব্যবসা চালানোর পরেও কীভাবে বাংলা মাধ্যমে লেখাপড়া করা পড়ুয়াদের নিয়োগ করতে আপত্তি তুলতে পারে ওই সংস্থা, সেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন সমালোচকরা। অনেকেই বলছেন, বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা করা ছেলেমেয়েরা কোনও অংশে ইংরাজি কিংবা হিন্দি মাধ্যমের পড়ুয়াদের থেকে কম যান না। যোগ্যতার কথা না ভেবে শুধুমাত্র ভাষার নিরিখে কেন কর্মী নিয়োগ করা হবে, সেই প্রশ্নও তোলেন কেউ কেউ।

[আরও পড়ুন: শিশু স্টার্ট দিতেই চলল টোটো, পিষে মৃত্যু নিউটাউনের খুদের]

জয়েন্টে হিন্দি এবং ইংরাজি ভাষায় পরীক্ষা দিতে পারতেন পড়ুয়ারা। আঞ্চলিক ভাষাতেও যাতে পড়ুয়ারা পরীক্ষা দিতে পারেন, সেই দাবি জানানো হয়। সেকথা মাথায় রেখেই আঞ্চলিক ভাষা হিসাবে গুজরাটিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেখানে ব্রাত্য বাংলা ভাষা। তা নিয়েই উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় পথে নেমে আন্দোলনে শামিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। জয়েন্টের পরে যেন সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাল সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস সংস্থা। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওই সংস্থা বাঙালিদের অপমান করেছে  বলেও সুর চড়িয়েছেন অনেকেই। যদিও সংস্থার তরফে বিবৃতি জারি করে অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। সংস্থার ফেসবুক পেজ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ওই বিতর্কিত বিজ্ঞাপনটিও।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement