Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Samajsebi Sangha

শৈশবের স্বাদ পাক ওরাও! বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন খুদেদের নিয়ে হুল্লোড়, সমতার বার্তা সমাজসেবী সংঘের

'যেমন খুশি করো', রোটারি ক্লাবের সঙ্গে যৌথভাবে রবিবার দিনভর ওপেন স্ট্রিট কার্নিভ্যালে মাতলেন শিশুরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৯:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৯:৪৭

options
link
শৈশবের স্বাদ পাক ওরাও! বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন খুদেদের নিয়ে হুল্লোড়, সমতার বার্তা সমাজসেবী সংঘের zoom
সমাজসেবী সংঘের উদ্যোগে 'ওপেন ডোর কার্নিভ্যাল'।

কেউ লড়ছে ক্যানসারের সঙ্গে, কারও থ্যালাসেমিয়া, কেউ আবার শিখতে-পড়তে পারে কম। কিন্তু একটা ক্ষেত্রে সবাই এক। তা হল, ওরা সবাই শিশু। সময়ের বিচারে সকলের শৈশব দাঁড়িয়ে এক সারিতে। তাহলে অযথা ‘পিছিয়ে পড়া’ বলে এই বিভাজন কেন? সেই ভেদাভেদ ঘুচিয়ে সমতার ব্যতিক্রমী বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে রবিবার অভিনব উদ্যোগে শামিল হল কলকাতার নামী দুর্গাপুজো কমিটি সমাজসেবী সংঘ।

সমাজসেবী সংঘের ইভেন্ট উদ্বোধনে রাসবিহারির বিধায়ক দেবাশিস কুমার।

দিনভর তাদেরই প্রাঙ্গণে সাধারণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে হয়ে গেল ‘ওপেন ডোর ফেস্টিভ্যাল’। এখানে শিশুরা ইচ্ছেমতো ছবি আঁকল, খেলাধুলা করল, নিজেদের হাতে তৈরি জিনিসপত্র বিক্রিও করল। সব শিশুকে শৈশবের স্বাদ দিতে সমাজসেবীর এই বিশেষ উদ্যোগে হাত মেলাল রোটারি ক্লাব ও নোবেল মিশন। ছিলেন রাসবিহারি কেন্দ্রের বিধায়ক দেবাশিস কুমার, স্থানীয় কাউন্সিলর সৌরভ বসু,  টিসিএসের কর্ণধার-সহ একাধিক বিশিষ্টজন।

Advertisement
বিজ্ঞাপনে শিশুদের সমানাধিকার প্রতিষ্ঠায় সমাজসেবী সংঘের উদ্যোগ।

রবিবারের এই ইভেন্টের বিজ্ঞাপনেই আঁচ পাওয়া গিয়েছিল। তাতে লেখা ছিল – অল কিডস আর ইকুয়াল। অর্থাৎ সকল শিশু সমান। সে স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে উঠুক, আর প্রতিকূলতা কাটিয়ে বড় হোক। কারও বৃদ্ধি আর পাঁচজনের তুলনায় খানিকটা স্লথগতির হতেই পারে, কিন্তু সমাজে তাদের সকলের সমানাধিকার। আর এই সমতা বোঝাতে সমাজসেবী সংঘের ‘ওপেন ডোর ফেস্টিভ্যাল’-এ বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুদের সঙ্গে সাধারণ খুদেদেরও মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দুপুর থেকে সন্ধ্যা – এই লম্বা সময় কী কী করল তারা?

সমাজসেবী সংঘের ‘ওপেন ডোর ফেস্টিভ্যালে’ বক্তব্য রাখছেন দেবাশিস কুমার।

সমাজসেবী সংঘের সাধারণ সম্পাদক অরিজিৎ মৈত্রের কথায়, ”আমরা ওদের যেমন খুশি কাজ করতে দিয়েছি। যেমন একটা বড় ক্যানভাস রাখা হয়। তাতে ওরা নিজেদের মতো আঁকাআঁকি করেছে। আলাদাভাবে একটা ‘বসে আঁকো’ প্রতিযোগিতাও ছিল। একটা গেম জোন ছিল, সেখানে ওরা সারাদিন খেলেছে। নানারকম পারফর্ম করেছে ওরা। বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল। কেউ কেউ নিজেদের হাতে বানানো বিভিন্ন জিনিসপত্র এখানে নিয়ে এসেছে। তা প্রদর্শনের পাশাপাশি ভালো লাগলে কিনে নিয়েছেন অনেকে। এই জিনিস বিক্রির টাকা খুদেরা ওদের স্কুলে দান করবে।”

খুদেদের হাতে আঁকা ছবি দেখে মুগ্ধ দর্শকরা, কেউ কেউ তা ধরে রাখলেন মোবাইল ক্যামেরায়।

সবমিলিয়ে বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুরা যেন নিজেদের আর পাঁচজনের চেয়ে পিছিয়ে পড়া না ভাবে, অবহেলিত না ভাবে – সেই উদ্দেশেই সমাজসেবী সংঘের এই উদ্যোগ। নিঃসন্দেহে বড় সামাজিক কাজ। শুধু দুর্গাপুজোয় ধুমধাম করে মাতৃ আরাধনা নয়, ‘জীবসেবায় শিবসেবা’ মন্ত্রে ব্রতী সমাজসেবী সংঘ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.