Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Samik Bhattacharya

‘রাস্তায় বেরিয়ে রাজ্যের পরিস্থিতি দেখুন’, SIR আবহে রাজ্যপালকে ‘পাঠ’ শমীকের

রাজ্য বিজেপি সভাপতির দাবি, রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় BLO-রা পদত্যাগ করছে, চাপে রয়েছেন, রাজ্যপালের দেখা উচিত।

Advertisement
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ২২:১৭

link
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ২২:১৭

options
link
‘রাস্তায় বেরিয়ে রাজ্যের পরিস্থিতি দেখুন’, SIR আবহে রাজ্যপালকে ‘পাঠ’ শমীকের zoom

এসআইআর আবহে রাজ্যপালকে রাস্তায় নেমে বাস্তব পরিস্থিতি দেখার পাঠ দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য! বিএলও-দের বিক্ষোভ, গণইস্তফা-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি। সেখানেই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের প্রতি তাঁর বার্তা, ”রাজ্যপাল শুধু বসে থাকলে হবে না। একটু রাস্তায় বেরিয়ে দেখুন, রাজভবন থেকে বেরিয়ে আসুন। তাঁর শারীরিক অসুস্থতা রয়েছে। তবে এখন উনি অনেকটা সুস্থ। তাই বলব, রাজ্যের পরিস্থিতি একটু দেখুন। তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যান – আমরা এটা চাই।”

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের প্রতি শমীক ভট্টাচার্যের বার্তা, ”রাজ্যপাল শুধু বসে থাকলে হবে না। একটু রাস্তায় বেরিয়ে দেখুন, রাজভবন থেকে বেরিয়ে আসুন। তাঁর শারীরিক অসুস্থতা রয়েছে। তবে এখন উনি অনেকটা সুস্থ। তাই বলব, রাজ্যের পরিস্থিতি একটু দেখুন। তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যান – আমরা এটা চাই।”

গত অক্টোবরে রাজ্যে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই নানা অশান্তি, জটিলতা দেখা গিয়েছে। এনিয়ে গোড়া থেকেই রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছিলেন, খোদ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার নিজে রাজ্যে এসে পরিস্থিতি দেখুন। যদিও এর মাঝে নানা সময়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে দিল্লি থেকে নির্বাচনী আধিকারিকদের টিম পাঠানো হয়েছে। এসেছেন বিশেষ পর্যবেক্ষকও। কিন্তু শমীকের দাবি, জ্ঞানেশ কুমারের আসা জরুরি। শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ফের বলেন, ”জ্ঞানেশ কুমারকে দিল্লিতে বসে থাকলে হবে না। কলকাতায় আসুন। রাজপথে হাঁটুন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। তাঁদের দাবি আপনাকে শুনতে হবে। বিএলও-দের ইস্তফার বিষয়টা খতিয়ে দেখতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।”

Advertisement

এরপর রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের উদ্দেশে শমীকের বার্তা, ”রাজ্যপালকে রাজভবনে থাকলে হবে না। তিনি সংবিধানের রক্ষাকর্তা। আমাদের আবেদন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম জেলায় যান, কথা বলুন মানুষের সঙ্গে। রাজভবন থেকে এবার বেরিয়ে আসুন। বাংলায় সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে গিয়েছে।” রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বরাবর জনসংযোগে আগ্রহী। অনেক সময়েই তাঁকে রাজ্যের নানা প্রান্তে ঘুরে আমজনতার সঙ্গে কথাবার্তা বলতে দেখা যায়। মানুষের অভাব-অভিযোগের কথা শোনেন। এছাড়া লোকভবনে (পূর্বতন রাজভবন) ২৪ ঘণ্টার জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা থাকে। কিন্তু এসব যে আসলে বিশেষ কার্যকরী নয়, তা এদিন বুঝিয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.