সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পদত্যাগ এবং রাজনীতিতে যোগ নিয়ে তোপ দাগলেন শিব সেনার (উদ্ধব ঠাকরে) রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত। তাঁর মতে, হাই কোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টের কোনও বিচারপতি পদত্যাগের পর যদি রাজনীতিতে যোগ দেন তাহলে সেই রায় বা নির্দেশ নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়।
সঞ্জয় রাউত বলছেন, হাই কোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টের কোনও কর্মরত বিচারপতি যদি পদত্যাগ করে রাজনৈতিক দলে যোগ দেন, তাহলে বুঝতে হবে, তিনি কর্মরত অবস্থায় আদালতের রায় দিচ্ছিলেন না, দলেরই কাজ করছিলেন।” স্বাভাবিকভাবেই বঙ্গ রাজনীতির প্রেক্ষিতে তাঁর এহেন মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বাংলার শাসক দল তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই ইস্যুতে সুর চড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে উনি যে মামলার বিচার করছেন, তা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের হয়ে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কল্যাণ বলছেন, “আমি প্রথম থেকে বলেছি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে বিচার করছেন। আজ সেটাই প্রমাণ হয়ে গেল। এর আগে শুভেন্দু-রাজীবরা যখন বিজেপিতে যায়, আমি আট মাস আগে বলে দিয়েছিলাম।”
[আরও পড়ুন: EXCLUSIVE: ভোটের লড়াইয়ে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’! কোন কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী রচনা?]
উল্লেখ্য, রাজ্যের একাধিক নিয়োগ দুর্নীতির মামলা ছিল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। সেই সমস্ত মামলার শুনানি চলাকালীন বিভিন্ন সময় তৃণমূল নেতৃত্বকে নিশানা করেছেন বিচারপতি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাঁর নির্দেশেই দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমেছে ইডি-সিবিআই। তাদের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা। দলীয় নেতৃত্ব বলেছে, বিচারপতি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রায় দিচ্ছেন। এবার সেই কথাই শোনা গেল সঞ্জয় রাউতের গলাতেও।
[আরও পড়ুন: ‘মোদিজি ক্ষমা করলেন না’, লোকসভায় টিকিট না পেয়ে অভিমানী সাধ্বী প্রজ্ঞা]
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক