গোবিন্দ রায়: অভয়া কাণ্ডে ফের নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করল ধর্ষক-খুনি সঞ্জয় রায়। এবার কলকাতা হাই কোর্টে বেকসুর খালাস বলে নিজেকে দাবি করল সে। হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে তার দাবি, বেকসুর খালাস বলে ঘোষণা করা হোক। সোমবার এই মামলার শুনানি। আর জি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এর আগে জানুয়ারির ১৮ তারিখ শিয়ালদহের নিম্ন আদালত সিভিক ভলান্টিয়ারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছিল।
২০২৪ সালের ৯ আগস্ট নাইট ডিউটির সময়ে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার রুমে ঘটেছিল হাড়হিম করা ঘটনা। পিজিটি ইন্টার্ন এক তরুণীকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়। পরদিন তাঁর দেহ উদ্ধার হওয়ার পরপরই রহস্যের ঘনঘটা টের পাওয়া গিয়েছিল। এমন স্পর্শকাতর ঘটনায় তদন্তভার দেওয়া হয় সিবিআইকে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের ভিত্তিতে অভিযুক্ত হিসেবে ঘটনার দিন আর জি করের সেমিনার রুমে উপস্থিত থাকা সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে। চার্জশিট দায়ের করা হয় শিয়ালদহ নগর দায়রা আদালতে। বিচারপ্রক্রিয়া শেষে সঞ্জয়কেই দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫ তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত।
বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীন বারবারই কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সঞ্জয় দাবি করেছে, সে নির্দোষ, তাকে ফাঁসানো হয়েছে। তাতে অবশ্য নিস্তার মেলেনি। ফলে শেষমেশ তার কারাদণ্ডই হয়েছে। যদিও এই বিচারে সন্তুষ্ট নয় অভয়ার পরিবার ও বন্ধুরা। তাদের সকলের দাবি, ঘটনায় আরও অনেকেই জড়িত। নতুন করে বিচারের দাবিও উঠেছে। প্রায় ছ’মাস জেলে থাকার পর ফের নিজেকে বেকসুর খালাস বলে দাবি করে হাই কোর্টে আবেদন জানাল সঞ্জয়। সূত্রের খবর, পরের সোমবার ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি।
সর্বশেষ খবর
-
মহাপ্রলয় গিলে খেয়েছে গোটা গ্রাম, কীভাবে ১৬৪৩ পড়ুয়ার প্রাণ বাঁচালেন এক শিক্ষক?
-
ড্রয়ের অঙ্ক নয়, কাস্টমসকে উড়িয়েই কলকাতা লিগের সুপার সিক্সে ইস্টবেঙ্গল
-
রাতের খাবার শেষে মিষ্টির জন্য মন আনচান, নেপথ্যে ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি না অন্য কারণ?
-
কর্নাটকে পিএসসি পরীক্ষায় ব্যাপক দুর্নীতি! সিআইডি হেফাজতে আইএএস, বাড়িতে তল্লাশি ইডির
-
আর দেখা যাবে না মিষ্টি হেসে বাহারি মেনুর আবদার! প্রয়াত ‘মা-মাসি কিচেনে’র সেই প্রিয় ‘দাদু’