BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

রাজীবকে সময় দিতে নারাজ সিবিআই, আজকেই ফের সমন

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: May 28, 2019 9:51 am|    Updated: May 28, 2019 9:53 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজীব কুমারের বাড়তি সময়ের আরজি মানতে নারাজ সিবিআই। মঙ্গলবার ফের তাঁকে সমন পাঠাতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। এই নিয়ে বৈঠকে বসেছেন আধিকারিকরা। তাঁদের ইঙ্গিত, অবিলম্বে কলকাতার প্রাক্তন নগরপালকে সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই দপ্তরে হাজিরা দিতে বলা হবে। সূত্রের খবর, এবার সমন এড়িয়ে গেলে তাঁকে পলাতক ঘোষণা করা হতে পারে। 

[বিদ্যাসাগর মূর্তি ভাঙার ঘটনার তদন্তে গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিটি, নেতৃত্বে স্বরাষ্ট্রসচিব]

 সোমবার হাজিরা এড়িয়ে যান রাজীব কুমার। তারপর দুপুরে সিআইডি আধিকারিকদের মাধ্যমে সিবিআই দপ্তরে বাড়তি সময় চেয়ে চিঠি পাঠান তিনি। সূত্রের খবর, ওই চিঠিতে বলা হয়, পারিবারিক কিছু কাজে তিনি ব্যস্ত রয়েছেন উত্তরপ্রদেশের বাড়িতে। সেই কারণে সোমবার সিবিআই দপ্তরে যেতে পারেননি। পারিবারিক ওই ব্যস্ততা মিটতে সময় লাগবে। তাই তাঁকে যেন সিবিআই দপ্তরে যাওয়ার জন্য অন্য দিন নির্দিষ্ট করা হয়। এবং সেটা সাতদিন পর। পাশাপাশি বারাসত আদালতে জামিনের আগাম আবেদনও জানাননি তিনি। গতকাল বিকেল অবধি রাজীবের আরজি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে থাকেন সিবিআই কর্তারা।  তবে রাতের দিকে আকারে ইঙ্গিতে তাঁরা বুঝিয়ে দেন যে আর সময় দেওয়া হবে না প্রাক্তন নগরপালকে। সেইমতো মঙ্গলবার ফের তাঁকে সমন পাঠানো হবে। এবং অবিলম্বে হাজিরা দিতে বলা হবে।  

সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে সিবিআই দপ্তরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল সারদা মামলায় নথি লোপাটে অভিযুক্ত রাজীব কুমারকে। হাজিরার সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর সিবিআইয়ের কাছে সময় চেয়ে আবেদন করেন কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার৷ ওইদিন সকালেই রাজীব ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছিলেন, রবিবার বিকেলেই তিনি কলকাতা ছেড়েছেন। তিনি বর্তমানে ব্যক্তিগত কাজে উত্তরপ্রদেশে রয়েছেন। উল্লেখ্য, রবিবারই ৩৪ নম্বর পার্ক স্ট্রিটে আইপিএস কোয়াটার্সে রাজীব কুমারের সরকারি বাসভবনে গিয়ে নোটিস দিয়ে আসে সিবিআই। এদিকে, সিবিআই আধিকারিকদের কাছে খবর ছিল সোমবার সকালে আগাম জামিনের আবেদন জানাতে বারাসত আদালতে যেতে পারেন রাজীব কুমারের আইনজীবী। সিবিআই আধিকারিকদের দাবি, সুপ্রিম কোর্টে সারদা ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস এর মামলার উপর ভিত্তি করেই পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। ফলে, ওই মামলাটিতে আগাম জামিন নিতে হবে রাজীব কুমারকে। তাই বারাসত আদালতেই আগাম জামিনের আবেদন করতে হবে তাঁকে। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও আগাম জামিনের আবেদন জানাননি রাজীবের আইনজীবী।           

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement