সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাংবাদিক বৈঠক থেকে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় (Saugata Roy)। ফের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুললেন। দিলীপ ঘোষকে কটাক্ষ বললেন, “ওঁর থেকে অভিষেকের গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি।”
বুধবার সকালে তৃণমূল ভবন থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সৌগত রায়। সেখান কেন্দ্রের একাধিক নীতির বিরোধিতা করেন তিনি। অভিযোগ করেন, ক্ষমতায় আসার আগে বিজেপি একাধিক প্রতিশ্রুতি দিলেও তার কোনওটাই পূরণ করতে পারেননি। ৪৫ বছরে বেকারত্বের রেকর্ড হয়েছে এই সরকারের আমলে। এরপরই বিজেপির (BJP) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দিলীপ ঘোষের নাম ঘোষণা প্রসঙ্গে সৌমিত্র খাঁকে একহাত নেন তিনি। বলেন, “বিজেপির কোনও মুখই নেই। আর সৌমিত্র মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করার কে? ওঁর এই অধিকার রয়েছে বলে তো জানা নেই।” এরপরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) লাগাতার আক্রমণ প্রসঙ্গে সৌগতবাবু বলেন, “বারবার বিজেপি নেতারা বিভিন্নভাবে ওঁকে আক্রমণ করছেন। অভিষেক দীর্ঘদিনের নেতা। রাজ্য সভাপতি হওয়ার আগে কে চিনতেন দিলীপ ঘোষকে? প্রত্যেকেই জানেন যে দিলীপ ঘোষের থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি, সেই কারণেই এত ঈর্ষা!” পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে তৃণমূল সাংসদ এদিন ফের বলেন, ফের বাংলার দায়িত্ব পাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল।
[আরও পড়ুন:প্লাজমা দান করে শতাধিক করোনা আক্রান্তের প্রাণ বাঁচিয়ে ‘হিরো’ কলকাতা পুলিশ]
একুশের নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে, শাসক-বিরোধী তরজা ততই বাড়ছে। আক্রমণ পালটা আক্রমণ লেগেই আছে। বারবার নানা ইস্যুতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করছেন বিজেপি নেতারা। তাঁর বিরুদ্ধে কয়লা পাচার ও গরু পাচারের মতো অভিযোগ তুলছেন। পালটা বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধেও সুর চড়াচ্ছেন শাসকদলের নেতারা। প্রকাশ্য জনসভা থেকে দিলীপ ঘোষ, কৈলাসপুত্রকে গুন্ডা বলে কটাক্ষ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় নেতাদের বহিরগত তকমাও দিয়েছেন রাজ্যের নেতারা।
[আরও পড়ুন: ধূপ কেনার অনুরোধের ‘শাস্তি’, গড়িয়াহাটে পথশিশুকে ‘জুতোপেটা’ মহিলার]
সর্বশেষ খবর
-
দাউদ ইব্রাহিমের হাড়হিম হুমকি, ‘তোর খেলা শেষ’, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত
-
ভেঙে খানখান সাধের দল! ‘বিদ্রোহী’দের ফেরাতে জনে জনে ফোন করছেন মমতা
-
গেট খুললেই জুতোর বাড়ি! প্রতারণার অভিযোগে দুর্গাপুরে তৃণমূলের নেতার বাড়ির সামনে ধরনা
-
অতি ঘনিষ্ঠতাতেই ভাঙছে সেতু! সম্পর্ক বাঁচাতে দূরত্ব প্রয়োজন, বলছেন মনোবিদরা
-
একমাসে দু’বার মাইনে! অভিনব আইডিয়া উদ্যোগপতির, কতটা উপকৃত হবেন কর্মীরা?