সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিবেশ বাঁচানোর বার্তা দিতে আবারও পথে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ বৃহ্স্পতিবার দুপুর তিনটে নাগাদ বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে এনিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য পেশের পরই পদযাত্রা শুরু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সঙ্গে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ব্যক্তি ছাড়াও রয়েছেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের ব্যক্তিত্বরা৷ পদযাত্রা শেষ হয় রবীন্দ্র সরোবরে, নজরুল মঞ্চে৷
[আরও পড়ুন: শহরে ফের মেট্রো বিভ্রাট, নেতাজি স্টেশনে নামিয়ে দেওয়া হল যাত্রীদের]
সেভ গ্রিন, স্টে ক্নিন – এই স্লোগান তুলে ‘সবুজের অভিযান’-এ রাজপথ পরিক্রমায় নেমেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ যিনি বরাবরই পরিবেশ সচেতনতায় রাজ্যবাসীকে বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক স্তরেও একাধিক প্রকল্প গ্রহণ করেছেন৷ এবারের পদযাত্রার বিষয়, সবুজ বাঁচাও৷ এর আগে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে একেবারে সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে আসা জলসংকট সমাধানে বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি৷ আশঙ্কাও প্রকাশ করেছিলেন৷ রাজ্য সরকারের ‘জল ধরো জল ভরো’ প্রকল্পকে আরও বেশি করে বাস্তবায়িত করার নির্দেশ দিয়েছেন৷ পরবর্তী সময়ে তিনি জল সংরক্ষণের বার্তা নিয়েও রাস্তায় হেঁটেছেন৷ এদিনের পদযাত্রা শেষে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, প্রতি বছর ১ আগস্ট সবুজ বাঁচাও আন্দোলন দিবস হিসেবে পালিত হবে রাজ্যজুড়ে৷
‘সবুজ বাঁচাও, সবুজ দেখাও/সবুজের মাঝে বিবেক জাগাও’, মুখ্যমন্ত্রীর স্বরচিত এই গানকে সঙ্গী করে বৃহস্পতিবার পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী দুপুরে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে জমায়েত হন সকলে৷ মুখ্যমন্ত্রী সেখানে পৌঁছে পরিবেশ সচেতনতা নিয়ে ছোট একটি বক্তব্য রাখেন৷ তারপরই শুরু হয় পথ চলা৷ একেবার সামনের সারিতে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা যায় চৌরঙ্গির বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহিত্যিক আবুল বাশারকে৷ তাঁর হাতে দেখা গেল পরিবেশ সংক্রান্ত একটি বড় হোর্ডিং৷ এছাড়া পরিচালক রাজ চক্রবর্তী, ঐতিহাসিক নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়িদেরও দেখা গেল পদযাত্রায় হাঁটতে৷ এই মিছিল শেষ হবে নজরুল মঞ্চের সামনে গিয়ে৷ সূত্রের খবর, সেখানে বন ও পরিবেশ দপ্তরের তরফে প্রত্যেককে দেওয়া হবে গাছের চারা৷ প্রত্যেকে সেখানে দাঁড়িয়ে পরিবেশ বাঁচানোর শপথবাক্যও পাঠ করবেন৷
[আরও পড়ুন: রামমোহন মিউজিয়ামে রহস্যজনক চুরি, তদন্তে গোয়েন্দারা]
পরিবেশের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে এভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথে নামাকে অনেকে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে দেখলেও, বিশিষ্টদের মত, এটি একেবারে অরাজনৈতিক একটি কর্মসূচি৷ আর এধরনের একটি কর্মসূচি সাফল্যের সঙ্গে পালন করাই রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৃতিত্ব৷ পরিবেশ সচেতনতাকে সামনে রেখে তিনি দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের ব্যক্তিত্বকে শামিল করেছেন একসারিতে, একসঙ্গে পথচলায়৷
ছবি: অরিজিৎ সাহা৷
সর্বশেষ খবর
-
হরমনপ্রীতের জোড়া গোল, স্বাধীনতা দিবসে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু ভারতের
-
‘এভাবেই ফাঁসিয়েছিলাম’, কোন মন্ত্রে কাঞ্চনকে কাবু করেছিলেন? ফাঁস করলেন শ্রীময়ী
-
সম্প্রীতির ভারত, স্বাধীনতা দিবসে ডোমকলের মাদ্রাসায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন বেলুড়ের মহারাজের!
-
কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের জোরাল ভূমিকম্প, ইন্দোনেশিয়ায় লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা
-
রাত নামলেই চলত দেহব্যবসা! স্বাধীনতা দিবসে বসিরহাটের গেস্টহাউসে চলা কেলেঙ্কারির পর্দাফাঁস