BREAKING NEWS

১৭  আষাঢ়  ১৪২৯  শনিবার ২ জুলাই ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

শিয়রে ফণী, খারাপ পরিস্থিতিতে মেট্রো বন্ধের ভাবনা কর্তৃপক্ষের

Published by: Tanujit Das |    Posted: May 3, 2019 5:02 pm|    Updated: May 3, 2019 6:42 pm

Severe cyclonic storm Fani may hit Kolkata metro services

নব্যেন্দু হাজরা: আশঙ্কা সত্যি করে শুক্রবার বিকেলেই কলকাতায় ঢুকে পড়বে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’৷ আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, রাত গড়ালেই বাড়বে ঝড়ের দাপট৷ ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া৷ এমত অবস্থায় পরিষেবা সচল রাখতে তৎপর কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ৷ তাঁদের তরফে জানান হয়েছে, শুক্রবার কবি সুভাষ থেকে দমদম পর্যন্ত আপ ও ডাউন লাইনে মেট্রো চলাচল স্বাভাবিকই থাকবে৷ এদিন চলাচল করবে ২৮৪টি মেট্রো৷ তবে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে কর্তৃপক্ষ৷ বিপর্যয়ের ভয়াবহতা বাড়লে প্রয়োজনে স্তব্ধ হতে পারে মেট্রো পরিষেবা৷ এমনকী, এদিন বিকেল থেকে বন্ধ দক্ষিণ কলকাতার অভিজাত শপিং মল সাউথ সিটি৷

[আরও পড়ুনমাত্র কয়েকশো কিমি দূরে ‘ফণী’, বিকালেই কলকাতায় আছড়ে পড়ার আশঙ্কা]

কর্তৃপক্ষের এই ঘোষণাই মাথায় চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে শহরবাসীর৷ কারণ, কলকাতার অন্যতম এই লাইফ লাইন মেট্রোরেল। প্রত্যেকদিন যাতায়াত করেন কয়েক হাজার মানুষ৷ কেবল শহরবাসীই নন, জেলা বা শহর সংলগ্ন অঞ্চলের মানুষও কলকাতা এলে মেট্রোর পরিষেবার সাহায্য নেন৷ এমন দুর্যোগের দিনে অন্যান্য যানবাহনের চেয়ে অবশ্যই সাধারণ মানুষের ভরসার জায়গা মেট্রো৷ সেই পরিষেবা বন্ধ হয়ে গেলে কী হবে, এখন থেকেই তা ভেবে চিন্তিত যাত্রীদের একটা বড় অংশ৷ সন্ধ্যায় ঝড় বাংলায় আছড়ে পড়ার আশঙ্কায় শুক্রবার দুপুরেই অধিকাংশ অফিস ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। নবান্ন থেকে বিধানসভা, এমনকী বেসরকারি অফিসও দুপুরে ছুটি হয়ে যায়। সময়ের আগেই ফণীর ‘এয়ার স্ট্রাইকে’ সন্ধ্যার পরই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঝড়ের দাপট বাড়তে শুরু করবে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে। সঙ্গী হবে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি। রাজ্য প্রশাসন অবশ্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।

[আরও পড়ুন: কলকাতার আকাশে ‘ডগ ফাইট’, মহড়া দিল যুদ্ধবিমান ‘সুখোই ৩০’ ]

শুক্রবার দুপুরেই রাজ্যের একাধিক স্থানে প্রভাব ফেলতে শুরু করে ‘ফণী’৷ কোথাও হালকা, কোথাও প্রবল ঝড়-বৃষ্টির শুরু হয়৷ অনেক জায়গায় বিপর্যস্ত হয় ট্রেন চলাচল৷ লাইনের সঙ্গে চেন দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে ট্রেন, এমন ছবিও ধরা পড়ে অনেক স্টেশনে৷ কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম নিজে শহরের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন। কলকাতা পুলিশও বিপর্যয় মোকাবিলায় বিশেষ কন্ট্রোল রুম খুলেছে। দুর্বল সেতুগুলিতে দুপুরের পর থেকেই যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। রাস্তার পাশের প্রচুর হোর্ডিং খুলে নেওয়া হয়েছে। বিপজ্জনক দুর্বল বাড়ি ও আবাসন থেকে আবাসিকদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে নামার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল। সেইসঙ্গে সমুদ্র উপকূলবর্তী দত্তপুর, জলধা, গদাধরপুর প্রভৃতি গ্রামগুলির বাসিন্দাদের জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলের প্রতিনিধিরা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজে নেমেছেন। 

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে