BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘যাদবপুর কাণ্ডের দায় বাবুলের’, অভিযোগ তুলে আন্দোলনের ডাক SFI-এর

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: September 20, 2019 8:57 am|    Updated: September 20, 2019 10:02 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র প্ররোচনাতেই বৃহস্পতিবার তাণ্ডব চলেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে। এই অভিযোগ তুলেই শুক্রবার রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ ও অবরোধের ডাক দিল সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই। এদিন বেলা ১২টায় দক্ষিণাপন থেকে মিছিল করবে এসএফআই। অন্যদিকে, এদিনের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনায় রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তৃণমূল। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবারের ঘটনার পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ইস্তফা দিতে বলেছেন রাজ্যপাল।

[আরও পড়ুন:সাড়ে ছ’ঘণ্টা পর ঘুরপথে রাজ্যপালের গাড়িতে যাদবপুরের ক্যাম্পাস ছাড়লেন বাবুল]

বৃহস্পতিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘নবীনবরণ’ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে গিয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়৷ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ঘোষণার দাবিতে শিক্ষক সংগঠন জুটার তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে একটি আবেদন পত্র জমা দেওয়ারও পরিকল্পনা ছিল৷ কিন্তু মন্ত্রীকে অনুষ্ঠান মঞ্চ পর্যন্ত যেতে দেয়নি বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা৷ গেটের সামনেই আটকে দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে৷ রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর৷ সেই সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন উপাচার্য ও সহ-উপাচার্য। বর্তমানে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন দু’জন। বৃহস্পতিবার দীর্ঘ ৬ ঘন্টা ক্যাম্পাসে আটকে থাকার পর রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় গিয়ে উদ্ধার করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। এরপরই যাদবপুরের উপাচার্যকে ইস্তফা দিতে বলেন রাজ্যপাল। কিন্তু এদিনের ঘটনায় রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। রাজ্যপালের ভূমিকায় ক্ষোভপ্রকাশ করে তৃণমূল কংগ্রেস।

babul-2

তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে, ,”এটা দুর্ভাগ্যজনক। রাজ্য সরকারকে না জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজেপি নেতাকে উদ্ধার করতে চলে যান রাজ্যপাল। রাজ্য সরকারকে অবহিত না করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যাদবপুর গিয়েছিলেন। দুর্ভাগ্যজনক একটা ঘটনা ঘটে বিজেপির ছাত্র সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে।রাজ্য পুলিশ বাইরে দাড়িয়ে ছিল। কিন্তু উপাচার্য সাহায্য না চাওয়ায় তারা ঢুকতে পারেনি। রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা না করেই রাজ্যপাল রওনা হন বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে।” সূত্রের খবর, বাবুল সুপ্রিয়কে উদ্ধার করতে যাওয়ার পথে মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেছিলেন রাজ্যপাল। মুখ্যমন্ত্রীর নিষেধ সত্বেও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছন জগদীপ ধনকড়।

[আরও পড়ুন: বাবুল সুপ্রিয়কে হেনস্তার কাণ্ডে ক্ষুব্ধ, যাদবপুর ক্যাম্পাসে যাচ্ছেন স্বয়ং রাজ্যপাল]

বৃহ্স্পতিবারের ঘটনার জেরে শুক্রবার রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ ও অবরোধের ডাক দিয়েছে এসএফআই। সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, ”আমাদের সংগঠন কখনই দেশের কোনও ক্যাম্পাসে কারও প্রবেশাধিকার নিয়ে হস্তক্ষেপ করাকে সমর্থন করে না। এর আগেও তা একাধিকবার জানানো হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রের এক প্রতিমন্ত্রী যাদবপুর ক্যাম্পাসে যেভাবে দীর্ঘক্ষণ ধরে প্ররোচনা ও উস্কানি ছড়ান তার তীব্র প্রতিবাদ জানায় ভারতের ছাত্র ফেডারেশন। এবং কার্যত মন্ত্রীর প্ররোচনাতেই বহিরাগত গুন্ডাদের তাণ্ডবলীলা চলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। ভাঙচুর করা হয় আটর্স ফ্যাকাল্টির ইউনিয়ন রুমে। কোনও সুস্থ গণতান্ত্রিক শক্তিই কোনও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই উস্কানিমূলক পদক্ষেপ নিতে পারে না। ক্যাম্পাসে ওই ফ্যাসিবাদী শক্তির সন্ত্রাস ছড়ানোর এই ঘটানাকে তীব্র নিন্দা জানায় ভারতের ছাত্র ফেডারেশন। একইসঙ্গে ন্যক্কারজনক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বৃহত্তর ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দিচ্ছে এসএফআই।” সূত্রের খবর, শুক্রবার বেলা ১২ টায় পথে নামবে এসএফআই। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement