১৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৮  রবিবার ৫ ডিসেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

‘আমাদের নিরাপদ আশ্রয়ে আসুন’, ফের ডাক্তারদের সমর্থনে পোস্ট ফিরহাদ-কন্যার

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: June 13, 2019 8:10 pm|    Updated: June 14, 2019 12:22 pm

Shabba Hakim appeals for taking shelter to KPC hostel to the doctors

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একদিনে দু’বার৷ ফের সরকার বিরোধী পোস্ট করে বিতর্ক বাড়ালেন রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর চিকিৎসক কন্যা সাব্বা হাকিম৷ বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি ফের পোস্ট করে আন্দোলনকারীদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন৷ নিজের সহকর্মীদের উদ্দেশে লিখলেন, ‘আপনাদের সকলকে কেপিসি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের হস্টেলে স্বাগত৷ চাইলে এখানেই আশ্রয় নিতে পারেন৷ জানি, এই পরিস্থিতিতে নিজেদের হস্টেলে বা হাসপাতাল চত্বরে থাকা নিরাপদ নয়৷ কোনও সমস্যায় পড়ে হস্টেল ছাড়তে হলে অবশ্যই এখানে আসুন৷ কেপিসি তুলনায় অনেক নিরাপদ৷’

[আরও পড়ুন: এনআরএস কাণ্ডে হস্তক্ষেপ রাজ্যপালের, চিকিৎসকদের কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার আরজি]

রাজ্যের মন্ত্রী, কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের মেয়ে ডাঃ সাব্বা হাকিম৷ তবে প্রশাসনের তরফে এই পরিচয়টুকু ছাড়াও সাব্বার নিজস্ব পরিচিতি আছে৷ তিনি কেপিসি মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী ছিলেন৷ এনআরএসে ইন্টার্ন ডাক্তার পরিবহ মুখোপাধ্যায়ের মার খাওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা কর্মবিরতি শুরু করছেন৷ একজন চিকিৎসক হিসেবে তিনি সহকর্মীদের পাশে দাঁড়াবেন,এটাই স্বাভাবিক৷ তবে যেভাবে তিনি পুলিশের সমালোচনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পাতা ভরিয়েছেন, সেই ভূমিকায় প্রশ্ন থাকছেই৷

দিনের শুরুতে সাব্বা নিজের পোস্টে প্রশ্ন তুলেছিলেন, পুলিশ কেন এনআরএস মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকদের যথাযথ নিরাপত্তা দিতে পারল না? হাসপাতাল চত্বরে দুষ্কৃতীরা ঢুকে কীভাবে ডাক্তারদের নিগ্রহ করছে? সেইসঙ্গে তিনি এও লেখেন, তৃণমূল সমর্থক হিসেবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকায় তিনি লজ্জিত৷ একজন মন্ত্রীর মেয়ে হয়ে কীভাবে এমন সমালোচনায় মুখর হলেন সাব্বা, নেটদুনিয়ায় তা নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়ে যায়৷ তা থামতে না থামতেই ফের বিস্ফোরক পোস্ট ফিরহাদ কন্যার৷

[আরও পড়ুন: ‘ডাক্তারদের নরখাদক ভাবাটা বন্ধ করুন’, মমতার মন্তব্যের কড়া সমালোচনা অভিনেত্রীর]

এদিন দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তারদের কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেন৷ বেঁধে দেন সময়সীমা৷ সেইসঙ্গে হুঁশিয়ারিও দেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শুরু না করলে, এমারজেন্সি মেডিক্যাল অ্যাক্টে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ যারই একটি অংশ, হস্টেল ছেড়ে দিতে হবে ডাক্তারদের৷ ইতিমধ্যেই কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালের হস্টেল ছাড়তে শুরু করেছেন ইন্টার্ন ও জুনিয়ররা৷ তাঁদের জন্যই সাব্বার এই পোস্ট৷ যা ঘিরে ফের সমালোচনা৷

 

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে