১ আষাঢ়  ১৪২৬  রবিবার ১৬ জুন ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এনআরএস হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিবহ মুখোপাধ্যায়কে মারধরের ঘটনা গোটা দেশে সাড়া ফেলে দিয়েছে৷ রাজ্য তথা দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় এর প্রভাব পড়েছে৷ তবে এসবের মধ্যেই পরিষেবা চালু করা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে চিকিৎসকদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তা নিয়েও শুরু হয়েছে সমালোচনা৷ ফেসবুক পোস্টে চিকিৎসক পেটানোর নিন্দা করেছেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ৷ এবার চিকিৎসকদের প্রতি অবিচার নিয়ে সরব হলেন বলিউড অভিনেত্রী কোয়েনা মিত্র৷

[আরও পড়ুন: প্রান্তিক মানুষের দিকে তাকিয়ে পরিষেবা চালু রাখুন, মুখ্যমন্ত্রীর খোলা চিঠি ডাক্তারদের]

বৃহস্পতিবার দুপুরে এসএসকেএমে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের সময়সীমা বেঁধে দেন৷ হুঁশিয়ারি দেন, কাজে না ফিরলে এসমা অর্থাৎ এমারজেন্সি মেডিক্যাল অ্যাক্টে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ এমনকী কাজে যোগ না দিলে হস্টেল পরিষেবাও দেওয়া হবে না বলে জানান মমতা৷ এতে সাময়িকভাবে জট কাটিয়ে কাজ শুরু হলেও সমস্যা আরও বাড়ে৷ হুঁশিয়ারির পালটা দিয়ে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৮ জন চিকিৎসক ইস্তফা দেন৷ শুধু তাই-ই নয়, গণইস্তফার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়৷ মুখ্যমন্ত্রী এসএসকেএম গিয়ে বলেছিলেন, গণ্ডগোলে জুনিয়র ডাক্তাররা নন, হাসপাতালের ভিতরে ঢুকে বহিরাগতরাই সমস্যা বাধিয়েছেন৷ তাঁর এই মন্তব্য মোটেই ভালভাবে নেয়নি চিকিৎসকদের একাংশ৷ তাঁদের পালটা দাবি, ঘটনার দিকে যথাযথ গুরুত্ব না দিয়ে পাশ কাটাতে মমতা ‘বহিরাগত’ তত্ত্ব খাঁড়া করেছেন৷ এর জন্য ডাক্তারদের কাছে মুখ্যমন্ত্রীকে নিঃশর্তে ক্ষমা চাইতে হবে৷

চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন মডেল-অভিনেত্রী কোয়েনা৷ মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে একহাত নিয়ে তিনি বলেন, “ডাক্তারদের নরখাদক ভাবাটা বন্ধ হওয়া উচিত৷ মমতা ঠিক করেননি৷ আপনি সবাইকে ছুঁড়ে ফেলে দেবেন, বের করে দেবেন? কী বলতে চান? ওরা ভারতীয়৷ বরং অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দিন৷ শিকারিরা খুব তাড়াতাড়ি শিকার করবে৷” ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়ে গিয়েছে৷ এবিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকার সমালোচনা করে বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “যে চিকিৎসকরা প্রতিবাদে বসেছেন, তাদের এভাবে সামলাতে হয়? সমস্যা না মিটিয়ে তিনি সব দোষ চিকিৎসক, বিজেপি এবং অন্যান্যদের ঘাড়েই দিয়ে দিলেন৷ অত্যন্ত অবাক করা ঘটনা৷ এমন পরিস্থিতি সামলাতে না পারলে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদ থেকে তাঁর ইস্তফা দেওয়া উচিত৷”

[আরও পড়ুন: ‘জয় শ্রীরাম ধ্বনির ভয়ে এনআরএসে যাননি মমতা’, ঘোলা জলে রাজনীতি দিলীপের]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং