Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
SIR in West Bengal

‘পাসপোর্ট দেখাব না, এটা প্রতিবাদ’, SIR শুনানিতে গিয়ে হেনস্তার অভিযোগ মন্ত্রী শশী পাঁজার

শুনানিতে যথাযথ নথি দেখানো সত্ত্বেও তাঁর কাছ থেকে অতিরিক্ত নথি চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনকে তুলোধোনা মন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৪:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৪:৫৪

options
link
‘পাসপোর্ট দেখাব না, এটা প্রতিবাদ’, SIR শুনানিতে গিয়ে হেনস্তার অভিযোগ মন্ত্রী শশী পাঁজার zoom
শুনানিকেন্দ্রের পথে মন্ত্রী শশী পাঁজা।

তিনবারের মন্ত্রী, আরও বেশি সময়ের বিধায়ক। তা সত্ত্বেও বাংলার নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী এবং মহিলা তৃণমূলের অন্যতম মুখ শশী পাঁজাকে এসআইআরে শুনানিতে ডেকেছে নির্বাচন কমিশন। সেই ডাক পেয়ে রবিবার দুপুরে গিরিশ পার্কের শুনানিকেন্দ্রে হাজিরা দিতে চান শশী পাঁজা। সঙ্গে সমস্ত নথি। কিন্তু শুনানি থেকে বেরিয়ে তিনি স্পষ্ট কমিশনের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুললেন।

রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ”হয়রানি করা হচ্ছে। আমার নাম আছে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায়। তা সত্ত্বেও নাম নেই বলে আমার কাছে নথি চাওয়া হল। আমি সেসব দেওয়ার পর পাসপোর্ট চাইছে! আমি পাসপোর্ট দেখাব না, এটা আমার প্রতিবাদ।” কমিশনকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জের সুরে তাঁর বক্তব্য, ”দেখুক কী করে। তিনবারের মন্ত্রী, বিধায়কের নাম তোলে কি না ভোটার তালিকায়। আমি এত বছর ধরে ভোটে লড়ে এসেছি, এত বছর ধরে ভোট দিয়েছে। এসব অযথা হয়রানি করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন যা ইচ্ছে তাই করছে!”

Advertisement

মন্ত্রী শশী পাঁজা  বলেন, ”হয়রানি করা হচ্ছে। আমার নাম আছে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায়। তা সত্ত্বেও নাম নেই বলে আমার কাছে নথি চাওয়া হল। আমি সেসব দেওয়ার পর পাসপোর্ট চাইছে! আমি পাসপোর্ট দেখাব না, এটা আমার প্রতিবাদ।”

শশী পাঁজাকে শুনানির নোটিস পাঠানোর পর অতি সংক্ষিপ্ত সময় দেওয়া হয়েছিল হাজিরার জন্য। রবিবার দুপুর দুটোয় তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল শশী পাঁজার। এনুমারেশন ফর্মেও যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়েছেন তিনি। তা সত্ত্বেও শুনানিতে ডাক পেয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন শশী পাঁজা। তিনি জানান, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নয়। অ্যাপের গলদে কমিশনের অনলাইন তালিকায় ২০০২ সালে মন্ত্রীর নাম দেখাচ্ছে না। ফলে নিয়ম মেনে রবিবার নির্ধারিত সময় মন্ত্রী শুনানিতে হাজির হন।

২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল শশী পাঁজার। এনুমারেশন ফর্মেও যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়েছেন তিনি। তা সত্ত্বেও শুনানিতে ডাক পেয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন শশী পাঁজা। তিনি জানান, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নয়। অ্যাপের গলদে কমিশনের অনলাইন তালিকায় ২০০২ সালে মন্ত্রীর নাম দেখাচ্ছে না।

কিন্তু কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসাররা নথি নিয়ে অযথা তাঁকে হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ তোলেন মন্ত্রী। সাফ জানান, ”যে ১১টি নথি ওরা গ্রহণ করছে, সেসব সকলের কাছে থাকা অসম্ভব। আমার পাসপোর্ট আছে, কিন্তু অনেকেরই না থাকতে পারে। আমি আমার পাসপোর্ট দেখাব না, এটা প্রতিবাদ।” পাশাপাশি, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ফলে আমজনতাকেও ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে বলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়ান শশী পাঁজা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.