Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
সীতারাম

পুরভোট হোক ব্যালটেই, মমতার পাশে দাঁড়াল সিপিএম

লোকসভায় তৃণমূলের সঙ্গে কক্ষ সমন্বয় করে চলবে সিপিএম৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০১৯, ১১:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০১৯, ১১:৫০

options
link
পুরভোট হোক ব্যালটেই, মমতার পাশে দাঁড়াল সিপিএম zoom

স্টাফ রিপোর্টার: নজিরবিহীনভাবে তৃণমূল সরকারের পাশে বামপন্থীরা৷ পঞ্চায়েত ও পুরভোট ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের দাবিকেই সমর্থন জানাল সিপিএম শীর্ষ নেতৃত্ব। ইভিএমে কারচুপি হয়েছে, এই অভিযোগে আগামী দিনে পুরসভাগুলির ভোটে ব্যালট পেপারে হবে বলে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার কলকাতায় এসে মুখ্যমন্ত্রীর সেই দাবিকে সমর্থন করলেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। মুখ্যমন্ত্রীর মতোই সীতারামও এদিন ভিভিপ্যাট ও ইভিএমের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, লোকসভা চলতি অধিবেশনের পর বিরোধী দলগুলি এই ইস্যুতে আলোচনায় বসবে।

[আরও পড়ুন:‘ব্রাহ্মণরা দু’বার জন্মায়,তাই সব শীর্ষপদ ওদের প্রাপ্য’, মন্তব্য কেরল হাই কোর্টের বিচারপতির]

সিপিএম রাজ্য দপ্তর আলিমুদ্দিনে সাংবাদিক সম্মেলনে সীতারাম বলেছেন, “রাজ্যে পঞ্চায়েত বা পুরভোট ব্যালটে না ইভিএমে হবে তা ঠিক করার দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। রাজ্য চাইলে ব্যালট পেপারে পুরভোট করতেই পারে। এই প্রসঙ্গে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক কর্ণাটক উত্তরাখণ্ড-সহ কয়েকটি রাজ্যে ব্যালেট পেপারে ভোট হয়েছে বলে জানান।

Advertisement

লোকসভা ভোটের পর দ্বিতীয় দফার সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠক শুরু হয়েছে মঙ্গলবার। বৈঠকের প্রথম দিনেই রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র ভোট বিপর্যয় নিয়ে রিপোর্ট পেশ করেন। সূত্রের খবর, দলকে আরও সংগঠিত করতে প্রথম দিনই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর, রাজ্যে অন্তত সাড়ে চারহাজার সিপিএম সদস্য লোকসভা ভোটে সরাসরি নিষ্ক্রিয় ছিলেন। তাঁদের চিহ্নিত করা হয়েছে। এই পার্টি কর্মীদের বক্তব্য তলব করা হবে। যুক্তি যথেষ্ট না হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজ্য সিপিএম যে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে তার ইঙ্গিত মিলেছে সীতারামের বক্তব্য থেকেই। সিপিএম সাধারণ সম্পাদক বলেন, “এতদিন ধরে যাঁরা বামেদের ভোট দিচ্ছিলেন তাঁরা লোকসভা ভোটে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। এই ঘটনা শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়। কেরল-সহ গোটা দেশেই হয়েছে। কেন ভোটাররা বামেদের থেকে মুখ ফেরাল তার চুলচেরা বিশ্লেষণ করতেই দু’দিনের রাজ্য কমিটির বৈঠক বসেছে।” ভোটারদের এমন অবস্থানের কারণ বুঝতে রাজ্যের শীর্ষনেতৃত্ব থেকে শুরু করে সবাই বাড়ি বাড়ি যাবেন বলে এদিন ইঙ্গিত দিয়েছেন সীতারাম।

[আরও পড়ুন:অসমে নাগরিকপঞ্জি প্রকাশের সময়সীমা এক মাস বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট]


এমনকী, রাজ্য সিপিএমের সাংগঠনিক রদবদল হওয়ারও ইঙ্গিত দেন তিনি। কংগ্রেসের সঙ্গে যৌথ কর্মসূচি লোকসভা ভোটের আগে থেকেই চলছে। ভোটের পরেও উত্তর চব্বিশ পরগনার ভাটপাড়া, হাওড়া-সহ বিভিন্ন এলাকায় কংগ্রেস ও সিপিএম প্রতিনিধিরা যৌথভাবেই কর্মসূচি নিয়েছেন। আগামী দিনেও এই কর্মসূচি চলবে বলে তিনি জানান। তবে লোকসভায় বিজেপি বিরোধী অবস্থানে তৃণমূলের সঙ্গে কক্ষ সমন্বয় করে চলবে সিপিএম। তাঁর যুক্তি বিজেপির বিরোধিতা করা মূল ইস্যু। আর এই ইস্যুতে সব গণতান্ত্রিক দলের সঙ্গেই লোকসভায় সমন্বয় রেখে চলবে সিপিএম।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.