সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শরীরের বিনিময়ের অর্থ উপার্জন করেন ওঁরা। তাই বলে কী সমাজের মূলস্রোতে ফেরার কোনও অধিকার নেই? নতুন করে বাঁচার অধিকার নেই? আছে। ইচ্ছেটা তো অন্তত রয়েছে। সেই ইচ্ছের জোরেই এবার পুজোয় অন্যরকম কিছু করতে চলেছেন তাঁরা। এবার শেফ ক্যাপ মাথায় পরে পশ্চিমবঙ্গ মৎস্য দপ্তরের একাধিক ফুড প্যাভিলিয়নে দেখা যাবে সোনাগাছির যৌনকর্মীদের।
[খুচরোয় নাকাল ভিক্ষুক একাই ডাকলেন ৪৮ ঘণ্টার বাংলা বনধ!]
জানা গিয়েছে, চলতি বছরের রাখিবন্ধন উৎসবের সময়ই রাজ্য মৎস্য উন্নয়ন নিগমের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয় দুর্বার মহিলা সমন্বয় সমিতিকে। যাতে বলা হয়, আগ্রহী যৌনকর্মীদের বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত করা হবে। তাঁদের মাছ কাটা, প্রসেসিং করা ও রান্না করার কৌশল শেখানো হবে। তারপর মৎস্য দপ্তরের বিভিন্ন স্টলে কাজের সুযোগও দেওয়া হবে।
দুর্বারের পক্ষ থেকে ডা. স্মরজিৎ জানা জানিয়েছেন, প্রথমপর্বে প্রায় ৫০ জন যৌনকর্মীকে প্রশিক্ষণের জন্য বাছা হয়েছে। যার মধ্যে ১৫ জনের প্রশিক্ষণ এই সোমবার থেকে শুরু হবে নলবনে। একসপ্তাহ পর আরও ১৫ জন এবং তারপর বাকিদেরও এই একইভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তারপর তাঁদের মৎস্য দপ্তরের বিভিন্ন স্টলে কাজ দেওয়া হবে। কাজের ভিত্তিতেই টাকা পাবেন তাঁরা।
[নীল তিমিকে ‘জালে’ তুলতে প্রস্তুত সিআইডি]
জানা গিয়েছে, পুজোর সময় কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় মৎস্য দপ্তরের অন্তত আটটি ফুড প্যাভিলিয়ন থাকবে। এবং বেঙ্গালুরুতে থাকবে দু’টি। সোনাগাছির যৌনকর্মীরা বেশিরভাগ কলকাতাতেই কাজ করবেন। আর কেবলমাত্র পুজোর সময়ই নয় এই কাজ তাঁরা পুজোর পরও চালিয়ে যাবেন। এভাবেই খুঁজে নেবেন জীবনের বিকল্প পথ। আর সমাজের মূল স্রোতে ফেরার রাস্তায় আরও কিছুটা এগিয়ে যাবেন। এই উদ্যোগ সফল হলে। তাঁদের মতো আরও অনেক যৌনকর্মী এভাবেই নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবেন।
[একেই বলে সম্প্রীতি, গণপতিকে সাক্ষী রেখেই নমাজে মুসলিমরা]
সর্বশেষ খবর
-
যেন মেয়েদের শচীন! এক ইনিংসেই জোড়া সর্বকালীন রেকর্ড স্মৃতির, এশিয়া কাপের সেমিতে ভারত
-
‘নো এন্ট্রি’ অথচ শহরে ঢুকছে বেআইনি ট্রাক! পুলিশের জালে সিন্ডিকেটের পান্ডা, নেপথ্যে কারা?
-
চাল-গমের পাশাপাশি মিলবে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীও, রেশন দোকানগুলি নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত
-
দুষ্টু মেসেজে আলাপ, ঘনিষ্ঠতা বাড়তেই ছাত্রের সঙ্গে উদ্দাম যৌনতা, ব্রেকআপের পর এ কী হল শিক্ষিকার!
-
রাত্রিবাস করেছিলেন মহানায়ক, ‘উত্তম’ স্মৃতি আগলে আজও নতু গ্রামের জমিদার বাড়ি