Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
শোভন

পুলিশি নিরাপত্তায় পরিবারকে এড়িয়ে বাড়ির পাশের বুথে ভোট দিলেন শোভন

'পরিবেশ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে,' অভিযোগ শোভন চট্টোপাধ্যায়ের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০১৯, ২২:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০১৯, ২২:০৫

options
link
পুলিশি নিরাপত্তায় পরিবারকে এড়িয়ে বাড়ির পাশের বুথে ভোট দিলেন শোভন zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: নিজের এলাকায় ভোট দিতে গিয়ে হেনস্তার মুখে পড়তে পারেন, এমনটা আশঙ্কা প্রকাশ করে আগেই নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছিলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। তাই নজর ছিল, রবিবার বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডে গরাগাছা শিশু ভারতী হাইস্কুলে তিনি কখন ভোট দিতে আসেন।

সংবাদমাধ্যম তো বটেই, এলাকায় শাসকদলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও এই প্রশ্নটা ঘোরাফেরা করছিল, আদৌ তিনি ভোট দিতে আসবেন তো? সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দুপুর সোয়া তিনটে নাগাদ ভোট দিতে এলেন কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিক। নিরাপত্তা কর্মী ও পুলিশ পরিবেষ্টিত হয়ে ৩৩ নম্বর বুথে ভোট দিলেন। ভোট কেন্দ্র অর্থাৎ শিশু ভারতী হাইস্কুলের একদম পাশেই মহারানি ইন্দিরা দেবী রোডে তাঁর বাড়ি। ভোট দিলেন, বাড়িতে যাবেন না? এই প্রশ্নের উত্তরে জানালেন, “বাড়ি থেকে ডিপ্রাইভড হয়েছি। বাড়ির পরিবেশ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তারপর বাড়িতে যাওয়ার কোনও প্রশ্ন নেই।” ব্যস, এটুকুই। আর কারও সঙ্গে কথা না বলে গাড়িতে উঠে সোজা বেরিয়ে গেলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি, ক্ষণিকের বৃষ্টিতে ভিজবে তিলোত্তমা ]

স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বর্তমানে কোনও সম্পর্ক নেই শোভনের। বিষয়টি নিয়ে মামলা চলছে আদালতে। বেশ কয়েকমাস বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র থাকেন প্রাক্তন মেয়র। রবিবার ভোটের দিন দুপুর ১২টা নাগাদ ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মহারানি ইন্দিরা দেবী রোডে শোভনবাবুর বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল দলীয় কর্মীদের নিয়ে ভোটের কাজকর্ম পরিচালনা করছেন রত্নাদেবী। ঠিক যেমনটা শোভনবাবু করতেন। স্বামীর বাইরের অফিসেই তিনি বসেছিলেন। রত্না বললেন, “এর আগেও নির্বাচনের দিন আমি কাজ করতাম। আমি জানি কীভাবে কাজ করতে হয়। দাদা থাকাকালীনও আমি ম্যানেজমেন্ট সামলাতাম।” শোভনবাবু যদি বাড়িতে আসেন, রত্নার জবাব, “বাড়িতে এলে আসবেন। আমি অফিসের এই চেয়ার ছেড়ে পাশের চেয়ারে চলে যাব। আমি চাই উনি আজকে এসে ভোট দিন। উনি রাজনীতিবিদ। ভোট না দিলে বড় ভুল করবেন।”

শোভন চট্টোপাধ্যায় এলেন। ভোটও দিলেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে আগেই জানিয়েছিলেন ভোট দিতে এলে হেনস্তার মুখে পড়তে পারেন। যে বুথে তিনি ভোট দেন সেখানে ভোট দিতে গেলে তাঁর স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায় তাঁকে নিগ্রহ করতে পারেন। ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা রাখার ব্যবস্থা করারও দাবি করেছিলেন তিনি। সম্ভবত সে কারণেই এদিন শোভনবাবু ভোট দিতে আসার কিছুক্ষণ আগেই বুথের সামনে চলে আসেন সাদা পোশাকের পুলিশের লোকজন। এরপর পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মী পরিবেষ্টিত হয়ে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে আসেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র। শোভনবাবু বেশ কয়েকমাস পর নিজের পাড়ায় আসেন এদিন। দলের একাধিক কর্মী-সমর্থকরাও বুথের সামনে চলে আসেন। কিছু প্রতিবেশীও ভিড় জমান একসময় এলাকার সকলের দাদা তথা অভিভাবককে দেখার জন্য। নির্বাচন কমিশনের কাছে তাঁর আশঙ্কা মতো বুথে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঘটেনি। নির্বিঘ্নেই তিনি ভোট দিয়ে বেরিয়ে যান।

[ আরও পড়ুন: ভোট দিলেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অসুস্থতার আড়ালে ভিন্ন বিশ্লেষণ রাজনৈতিক মহলের ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.