Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Abhijit Gangopadhyay

এসএসসির তালিকা ‘অসম্পূর্ণ’, ‘অযোগ্য’দের সংখ্যা অন্তত ৬ হাজার! দাবি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

এসএসসির কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত, বললেন প্রাক্তন বিচারপতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৫, ২৩:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৫, ২৩:৫২

options
link
এসএসসির তালিকা ‘অসম্পূর্ণ’, ‘অযোগ্য’দের সংখ্যা অন্তত ৬ হাজার! দাবি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের zoom
ফাইল চিত্র

স্টাফ রিপোর্টার: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে এসএসসি প্রকাশিত ‘অযোগ‌্য’ শিক্ষকদের তালিকা ‘অসম্পূর্ণ’। সোমবার একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি করলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ‌্যায়। তিনি বলেন, ‘‘এটি সম্পূর্ণ তালিকা নয়। যাঁরা দুর্নীতি করে চাকরি কিনেছিলেন, চাকরি পেয়েছিলেন তাঁদের সংখ্যা আরও অনেক বেশি। অন্তত ৬ হাজার তো হবেই।’’ প্রাক্তন বিচারপতির দাবি, ‘‘এই তালিকার মাধ্যমে আসলে কিছুই প্রকাশ করা হয়নি। স্কুল সার্ভিস কমিশন সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অমান্য করেছে। ফলে, তাদের অত্যন্ত কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হওয়া প্রয়োজন।’’

কলকাতা হাই কোর্টে বিচারপতি থাকাকালীন শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়েছিল তাঁর এজলাসেই। এই মামলায় তাঁর একের পর এক পর্যবেক্ষণ ও মন্তব্যে বিতর্কের ঝড় উঠেছিল। সোমবার এবিষয়ে তিনি অভিযোগ করেন, ‘‘তিন-চার রকমের ‘অযোগ্য’ ছিলেন। একদল পরীক্ষাতেই বসেননি। কিন্তু নাম চলে এসেছিল প্যানেলে। কিছু প্রার্থী শুধু রোল নম্বর লিখে সাদা খাতা জমা দিয়েছিলেন। তাঁদেরও অনেকের চাকরি হয়ে গিয়েছিল। আবার ওএমআর শিট পরীক্ষায় জানা গিয়েছিল কিছু প্রার্থীর নম্বর অনেকটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আবার একটা অংশ আছে, যাঁদের প্যানেলের মেয়াদে উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার পরেও নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল।’’ এমনকী নিয়োগের জন্য এসএসসি যতগুলি নাম সুপারিশ করেছিল, তার থেকে অনেক বেশি লোককে মধ‌্যশিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

Advertisement

প্রাক্তন বিচারপতির কথায়, ‘‘এদের কারও নাম এসেছে বলে আমি এখন পর্যন্ত শুনতে পাইনি। এরাই তো আসলে টাকা দিয়ে চাকরিটা কিনেছেন। এছাড়া যে নামগুলি প্রকাশ করা হয়েছে, তাঁদের কে কোন সেক্টরে পড়ছেন, সেটা এই তালিকা দেখে বোঝা সম্ভব নয়। কে কোন স্কুলে চাকরি করতেন, সেটাও বোঝা সম্ভব নয়। এখনও সময় আছে। এটা স্বচ্ছ করার জন্য স্কুল সার্ভিস কমিশনের উচিত, সব দাগি প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করা।’’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.