Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Durga Puja

পুজোর পরই আপার প্রাইমারির কাউন্সেলিং! আদালতের নির্দেশ পেয়েই সক্রিয় কমিশন

বুধবারই প্রকাশ হতে পারে বিজ্ঞপ্তি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২৩, ২০:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২৩, ২০:০০

options
link
পুজোর পরই আপার প্রাইমারির কাউন্সেলিং! আদালতের নির্দেশ পেয়েই সক্রিয় কমিশন zoom
ছবি প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাই কোর্টের নির্দেশ পেয়েই আপার প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের তোড়জোড় শুরু করে দিল স্কুল সার্ভিস কমিশন (School Service Commission)। সব ঠিক থাকলে বুধবারই আপার প্রাইমারির কাউন্সেলিংয়ের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়ে যেতে পারে। আর কাউন্সেলিং শুরু হতে পারে ৬ নভেম্বর থেকে।

মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি ছিল হাই কোর্টের (Calcuta High Court) ডিভিশন বেঞ্চে। বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি উদয় কুমারের বেঞ্চে ওই মামলার শুনানি হয়। বেঞ্চ সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর জানায়, শিক্ষক নিয়োগের কাউন্সেলিং শুরু করা যাবে। আপার প্রাইমারিতে মোট শূন্যপদ ১৪ হাজার ৩৩৯টি। যে মেধাতালিকা প্রকাশ হয়েছে তাতে রয়েছেন প্রায় ৯ হাজার প্রার্থী। কমিশন জানিয়েছে, এদের কাউন্সেলিং শুরু হবে পুজোর পর। তবে এদের এখনই নিয়োগ করা যাবে না।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সমলিঙ্গ বিবাহে সম্মতি নয় এখনই, সরকারের উপর সিদ্ধান্ত ছাড়ল সুপ্রিম কোর্ট]

স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার (Siddhartha Majumdar) বলেন, “আমাদের কাউন্সেলিং করার অনুমতি দিয়েছে আদালত। সুপারিশপত্র এখনই দেওয়া যাবে না। কাউন্সেলিং মানে স্কুল বেছে নেওয়া। কবে কোন বিষয়ে কাউন্সেলিং হবে, তা নিয়ে একটা প্রাথমিক চিন্তাভাবনা করেছি। প্রার্থীরা যাতে প্রস্তত হয়ে থাকতে পারেন তার জন্য আমরা একটা খসড়া নির্ঘন্ট প্রকাশ করে দেব। কল লেটার পুজোর ছুটির পরে দেব। প্রথম কাউন্সেলিং সম্ভবত ৬ নভেম্বর থেকে শুরু হবে।”

[আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশের সাবান তৈরির কারখানার গোডাউনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত ৪]

সার্বিকভাবে হাই কোর্টের রায় নিয়ে সিদ্ধার্থবাবু বলেন, “এটা আমাদের জন্য স্বস্তির বিষয়। আমি এই পদে এসেছি এক বছর ৯ মাস আগে। তখন পাঁচটা বিষয় নিয়ে সমস্যায় ছিলাম। পরবর্তীতে কর্মশিক্ষা ও শরীরশিক্ষাও যুক্ত হয়। বলা যেতে পারে, এক পঞ্চমাংশ স্বস্তি। গোটা প্রক্রিয়াটা শেষ হলে নিশ্চয়ই খুশি হব।” ৩০ অক্টোবর, পুজোর ছুটি শেষে কমিশন খুললে চূড়ান্ত নির্ঘন্ট প্রকাশ, কল লেটার দেওয়া, শূন্যপদের তালিকা প্রকাশ-সহ অন্যান্য কাজ শুরু হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.