Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

প্রবেশিকা বিতর্কে এখনও উত্তাল যাদবপুর, দাবিপূরণ না হওয়ায় অনশন পড়ুয়াদের

বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৮, ১৪:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৮, ১৪:১১

options
link
প্রবেশিকা বিতর্কে এখনও উত্তাল যাদবপুর, দাবিপূরণ না হওয়ায় অনশন পড়ুয়াদের zoom

দীপঙ্কর মণ্ডল: প্রবেশিকা বিতর্কে উত্তাল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়৷ শুক্রবার রাত থেকে অনশনে শামিল অন্তত ২০ জন পড়ুয়া৷ রবিবার বেলা ১২টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে সদুত্তর না পাওয়া গেলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা৷ পালটা সোমবার পর্যন্ত সময় চেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷

প্রবেশিকা পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে জটিল পরিস্থিতির মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। প্রথমে ৩ থেকে ৬ ও পরে ১১ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত কলাবিভাগের প্রবেশিকার দিন ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসমিতি। পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। বলা হয় উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতেই স্নাতকস্তরে কলাবিভাগে ভরতি নেওয়া হবে। এবং সেই আবেদনের সময়সীমা বাড়িয়ে ৬ থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত করা হয়। ১৯ জুলাই মেধা তালিকা ঘোষণা করা হবে।

Advertisement

[পদত্যাগ করতে চেয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ যাদবপুরের উপাচার্য]

বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আন্দোলনে নামে ছাত্র সংগঠনগুলি। প্রবেশিকা পরীক্ষার দাবিতে কর্মবিরতিতে নামে শিক্ষকদের সংগঠন জুটা-ও। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বুধবার বিকেল থেকে টানা ৩১ ঘণ্টা উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে ঘেরাও করে রেখেছিলেন পড়ুয়ারা। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঘেরাওমুক্ত হন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। এরপর শুক্রবার সকালেই শিক্ষামন্ত্রীর রিজেন্ট পার্কের বাড়িতে যান উপাচার্য ও সহ-উপাচার্য। দীর্ঘক্ষণ চলে বৈঠক। বৈঠকে প্রবেশিকা পরীক্ষা বাতিল ও পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এরপর রাজ্যপাল কেশরীনাথ আচার্যের কাছে যান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য৷ পদত্যাগেরও ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তিনি৷

[আমরণ অনশনের হুমকি যাদবপুরের পড়ুয়াদের, শিক্ষামন্ত্রীর দ্বারস্থ সুরঞ্জন]

এদিকে, শুক্রবার আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা জানায়, বেলা তিনটের মধ্যে প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে কোনও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত না নিলে তাঁরা আমরণ অনশনের পথে হাঁটতে পারেন। দাবিপূরণ না হওয়ায় রাত থেকে অনশনে শামিল হন পড়ুয়ারা৷ ২০জন পড়ুয়া অনশনে শামিল হন। রবিবার বেলা বারোটা পর্যন্ত সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সদুত্তর দেওয়ার চূড়ান্ত সময় দিয়েছেন তাঁরা৷ দাবিপূরণ না হলে আন্দোলন জারি থাকবে বলে জানান আন্দোলনকারীরা৷ যদিও সোমবার পর্যন্ত পালটা সময় চেয়ে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.