অর্ণব আইচ: খাস শহরে করোনা (Coronavirus) রোগীর রহস্যমৃত্যু। বুধবার সাতসকালে নারকেলডাঙা মেন রোডে বাড়ির সামনে থেকে ওই করোনা আক্রান্তের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, আত্মহত্যাই করেছেন ওই করোনা রোগী। তবে কোনও ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকে ওই ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে ফুলবাগান থানার পুলিশ।
নিহত রামকিশোর কেজরিওয়াল পেশায় ব্যবসায়ী। নারকেলডাঙা মেন রোডের আবাসনে থাকতেন তিনি। গত মাসেই তাঁর শরীরে নানা উপসর্গ দেখা দেয়। করোনা পরীক্ষা করা হয়। গত ২৭ জুলাই জানা যায় তিনি করোনা আক্রান্ত। তাঁর পরিজনেরাও একে একে মারণ ভাইরাসে সংক্রমিত হন। বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা চলছিল প্রত্যেকের। বুধবার সকালে ঠিক আবাসনের সামনেই রামকিশোর কেজরিওয়ালের রক্তাক্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়। খবর দেওয়া ফুলবাগান থানায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।
[আরও পড়ুন: মানবিক! করোনা রোগীর আবেদনে সাড়া দিয়ে প্লাজমা দান কলকাতা পুলিশের ২ কর্মীর]
মৃতের পরিবারের দাবি, মাসদুয়েক আগে একজন প্রোমোটারের মাধ্যমে একটি ফ্ল্যাট কেনার চেষ্টা করছিলেন রামকিশোর কেজরিওয়াল। ওই ফ্ল্যাট কেনার জন্য প্রোমোটারকে ২ কোটি টাকাও দিয়েছেন তিনি। তবে প্রোমোটার টাকা নেওয়ার পরেও তাঁকে ফ্ল্যাট হস্তান্তরিত করেননি। সে কারণে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ওই বৃদ্ধ। এছাড়াও গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো করোনা সংক্রমণ। সেই রোগের জেরে কিছুটা হলেও চিন্তিত ছিলেন তিনি। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলার পর প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, আত্মহত্যাই করেছেন ওই ব্যক্তি। তবে করোনা নাকি প্রোমোটারের সঙ্গে বিবাদ সে কারণে দায়ী তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি খুনের সম্ভাবনাও এখনই উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। আপাতত ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা।
[আরও পড়ুন: উপসর্গহীন করোনা রোগী দ্রুত শনাক্তকরণ, তিনটি পৃথক রুটে পরীক্ষা কলকাতা পুরসভার]
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা
-
সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িতে এনআইএ হানা, তল্লাশির আগেই ‘পলাতক’ তৃণমূল নেতা
-
৪ জুন ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিন