Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Covid-19

করোনা আক্রান্তই ছিলেন না এক বছর আগে ‘বিনা চিকিৎসায়’ মৃত শুভ্রজিত! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

নতুন রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২১, ১৩:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২১, ১৩:২৭

options
link
করোনা আক্রান্তই ছিলেন না এক বছর আগে ‘বিনা চিকিৎসায়’ মৃত শুভ্রজিত! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত বছর জুলাইয়ে মেডিক্যাল কলেজে মৃত্যু হয়েছিল উচ্চ মাধ্যমিক (Higher Secondary) পরীক্ষার্থী শুভ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের। জানা গিয়েছিল, করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। বছর ঘুরতে প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গেল, আদৌ করোনা আক্রান্ত ছিলেনই না শুভ্রজিৎ।

২০২০ সালের মার্চে রাজ্যে থাবা বসিয়েছিল মারণ করোনা ভাইরাস (Corona Virus)। লাফিয়ে বাড়ছিল আক্রান্তের সংখ্যা। সেই পরিস্থিতিতে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার ইছাপুরের বাসিন্দা শুভ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়। প্রথমে তাকে কামারহাটির ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সেই সময় উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর রক্তে শর্করার মাত্রা অত্যন্ত বেশি ছিল। তাই তাঁর সেখানে চিকিৎসা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। এরপর বেলঘরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান ছাত্রের পরিবার। তবে সেখানেও চিকিৎসার জন্য দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। পুলিশের সহযোগিতায় নার্সিংহোমে ওই ছাত্রের করোনা পরীক্ষা করানো হয়। রিপোর্টে করোনার প্রমাণ মেলায় তাঁকে বেসরকারি হাসপাতাল ভরতি নিতে অস্বীকার করে। এরপর তাঁরা আবারও কামারহাটি ইএসআই হাসপাতালে যান। সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজে যেতে বলা হয় তাঁদের। সেখানেও যান। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁদের জানিয়ে দেয় বেড নেই। এরপর আবারও কামারহাটির ইএসআই হাসপাতালে ফিরে যান তাঁরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: Durga Puja 2021: এবার পুজোয় এক টুকরো রাজস্থান ফুটে উঠবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে]

অবশেষে লালবাজারের পুলিশদের সহযোগিতায় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে আসেন তাঁরা। তবে অভিযোগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শুভ্রজিতের চিকিৎসা প্রথমে করতে চায়নি। তারপর যদিও ওই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর মা আত্মহত্যার হুমকি দেন। স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে ঢুকতে দেওয়া হয়। তবে পরিবারের অভিযোগ, কোনও চিকিৎসাই হয়নি শুভ্রজিতের। রাতেই মৃত্যু হয় তার। 

ছেলের মৃত্যুর পর রাজ্যের দু’টি সরকারি এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে বেলঘরিয়া (Belgharia) থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন শুভ্রজিতের মা। হাই কোর্টের দ্বারস্থও হন তিনি। মৃতের আরটিপিসিআর ও ভিসেরা টেস্টের নির্দেশ দেয় আদালত। সেই রিপোর্টে জানা গেল, আদৌ করোনা আক্রান্তই ছিলেন না শুভ্রজিৎ।

[আরও পড়ুন: ১ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যাচ্ছে Belur Math খোলার সময়, জেনে নিন নতুন সময়সূচি]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.