রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: বিশ্বভারতী (Visva Bharati University) কাণ্ডের প্রতিবাদে সরব বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। শাসকদলকে আক্রমণ করে বুধবার দিলীপবাবু বলেন, “যারা ঐতিহ্য নিয়ে গর্ব করে তারা বিশ্বভারতীর পাঁচিল ভাঙছেন। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে বলে যারা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছিল তারা আজ রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন গুঁড়িয়ে দিয়েছে।” দ্বিতীয় তালিবানি শক্তি পশ্চিমবঙ্গে রাজ করছে বলে মন্তব্য বিজেপির রাজ্য সভাপতির।
তাঁর কথায়, “বিশ্বভারতী নিয়েও কেন্দ্র-রাজ্য লড়াই চলছে। যেখানে রবীন্দ্রনাথ সুরক্ষিত নন, সেখানে বাংলা আর বাঙালি কতটা সুরক্ষিত সেটা ভাবতে হবে। শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্য আজ বিপন্ন।” দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, “বাইরে থেকে লোক আনা হয় গন্ডগোল করার জন্য। যার নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূলের বিধায়ক। চক্রান্ত করে করা হয়েছে। জমি মাফিয়ারা জমি লুঠ করছে। আর তাণ্ডব দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছে পুলিশ।” দিলীপবাবু বলেন, “উপাচার্য বেদখল রুখতেই গিয়েছিলেন। উপাচার্য ও বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ সুরক্ষিত নন। তাই তাঁরা বৈঠকে যাননি।”
[আরও পড়ুন: বিশ্বভারতী কাণ্ডে জোড়াসাঁকোয় মিছিল যুব মোর্চার, মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চিঠি বিজেপি সাংসদের]
এদিকে, বিজেপির প্রচারে নয়া স্লোগান। নতুন ভিডিও প্রকাশ। ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ’ ভিডিও প্রকাশ করলেন দিলীপ ঘোষ। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে জানানো যাবে দিলীপ ঘোষকে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে কেউ অভিযোগ জানাতে পারে। সোম থেকে শনিবার সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত অভিযোগ জানানো যাবে। জানালেন দিলীপ ঘোষ। ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের দিলীপদা’, এই ইমেল থাকবে। বাংলায় গণতন্ত্র ফেরানো ও দুর্নীতি মুক্ত পশ্চিমবঙ্গ গড়ার লক্ষ্যে আন্দোলন জারি থাকবে বললেন দিলীপ ঘোষ।
[আরও পড়ুন: শান্তিনিকেতনে অশান্তি অব্যাহত, পাঁচিল ভাঙার বিরোধিতা করায় পদ্মশ্রী প্রাপকের মূর্তিতে কালি]
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বাস ভাইদের অবিশ্বাস্য কীর্তি! এলআইসির জমি ‘জবরদখল’ সুরুচি সংঘের
-
আর জেড প্লাস নিরাপত্তা নেই লালুর, লাঠি হাতেই বাড়ি পাহারায় দলের কর্মীরা
-
‘দ্য অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’ মুক্তির জন্য ১৩ লক্ষ ঘুষ! স্বরূপ-পিয়ার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শতদীপ
-
‘তফাত শিরদাঁড়ায়’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে ‘হারাধনের দশ ছেলে’কে স্যালুট সুদীপ্তার, বিঁধলেন কোন ‘বিপ্লবী’দের?
-
লন্ডনে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে হেনস্তা! নিন্দায় সরব ভারত, নেপথ্যে ‘ডিপ স্টেট’?