Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Tangra Case

মেক্সিকোর এজেন্টের ‘প্রতারণা’য় সর্বস্বান্ত হয়ে চরম সিদ্ধান্ত, দাবি ট্যাংরার প্রণয়-প্রসূনের

অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে গ্লাভসের তালুর চামড়া ছিঁড়ে ফেলে কোটি কোটি টাকা প্রতারণা করেছে বিদেশি ওই এজেন্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৫, ০৮:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৫, ০৮:৪৫

options
link
মেক্সিকোর এজেন্টের ‘প্রতারণা’য় সর্বস্বান্ত হয়ে চরম সিদ্ধান্ত, দাবি ট্যাংরার প্রণয়-প্রসূনের zoom

অর্ণব আইচ: মেক্সিকোর এজেন্টের জন্যই আমাদের এই অবস্থা। ইচ্ছাকৃতভাবে গ্লাভসের তালুর চামড়া ছিঁড়ে ফেলে কোটি কোটি টাকা প্রতারণা করেছে বিদেশি ওই এজেন্ট। সেই কারণেই আমরা পুরো পরিবার মিলে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিই। পুলিশের কাছে এমনই দাবি করেছেন ট্যাংরার অভিজাত দে পরিবারের দুই সদস্য প্রণয় দে ও প্রসূন দে। তাঁদের আলাদাভাবে জেরা করে এমনই তথ্য মিলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশের সূত্র।

ট্যাংরায় অভিজাত দে পরিবারের দুই স্ত্রীর হাতের শিরা ও গলা কেটে ও কিশোরী মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুনের পর নাবালক ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে গাড়ির দুর্ঘটনা ঘটিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন দুই ভাই প্রণয় ও প্রসূন। বাড়ির ছোট ছেলে প্রসূন দে গ্রেপ্তারির পর জেলে রয়েছেন। তিনি আদালতের কাছে ‘দোষ স্বীকার’ করে গোপন জবানবন্দি দিতে চেয়েছেন। শিয়ালদহ আদালত জানাতে পারে যে, কবে ও কোন ম্যাজিস্ট্রেটর সামনে প্রসূন গোপন জবানবন্দি দেবেন। বাড়ির বড় ছেলে প্রণয় জানান, তিনিই অ্যাকাউন্ট দেখতেন। যদিও চামড়ার গ্লাভস তৈরি ও বিদেশে রপ্তানির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতেন মূলত প্রসূন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পরিবারের এই অবস্থার জন্য মেক্সিকোর একটি এজেন্ট বা এজেন্সিকেই প্রণয় ও প্রসূন দায়ী করেছেন। তাঁদের দাবি অনুযায়ী, মেক্সিকোর ওই সংস্থাটির সঙ্গে প্রণয় ও প্রসূনের সংস্থার বহু বছরের সম্পর্ক। তাঁদের কারখানায় তৈরি চামড়ার ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্লাভস’-এর সিংহভাগই রপ্তানি করত মেক্সিকোর ওই এজেন্সিটি। মেক্সিকোর ওই সংস্থার মাধ্যমে রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, আমেরিকা, আফ্রিকার বিভিন্ন জায়গায় গ্লাভস সরবরাহ হত। এতে কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু গত বছরের মাঝামাঝি থেকেই গোলমাল শুরু হয়। গ্লাভসের হাতের তালুর চামড়ার স্তর কিছুটা পাতলা। মেক্সিকোর ওই সংস্থাটি দে পরিবারকে জানায়, গ্লাভসগুলির হাতের তালুর কাছের জায়গাটি সামান্য ব্যবহারের পরই ছিঁড়ে যেতে শুরু করেছে। প্রথমে কয়েকটি ছেঁড়া গ্লাভস পাঠানো হয়। ওই নমুনাগুলি দেখে প্রণয় দে ও প্রসূন দে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা দে পরিবারকে জানান যে, গ্লাভসগুলির মানের পরিবর্তন হয়নি। আগের মতোই রয়েছে। তালুর কাছে চামড়া সহজে ছিঁড়ে যাওয়ার কথা নয়। এই বিষয়টি নিয়ে প্রণয় ও প্রসূন মেক্সিকোর ওই এজেন্সির সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু এজেন্সিটি মানতে রাজি হয়নি।

গড়ে মাত্র কুড়ি শতাংশ টাকা দিয়ে বাকি টাকা ‘প্রতারণা’ করে এই সংস্থা। আবার রাশিয়া, মেক্সিকো, সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকার চামড়ার গ্লাভস ফেরতও দিয়ে দেয়। প্রণয় ও প্রসূন, দু’জনই আলাদাভাবে পুলিশের কাছে দাবি করেছেন যে, ওই কারণেই গত ডিসেম্বর মাস থেকে তাঁদের ব্যবসার অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে। চামড়া অন্যান্য সরবরাহকারীদের বকেয়া টাকা মেটাতে পারছিলেন না। জানুয়ারিতে এমনও হয়, যে সরবরাহকারীরা তাঁদের রীতিমতো শ্রদ্ধা-ভক্তি করতেন, তাঁরাই অফিসে গিয়ে গালিগালাজ করতে শুরু করেন। এমনকী ওই পাওনাদাররা তাঁদের কলার ধরে বাইরে নিয়ে যাবেন, মারধর করবেন, এমনও হুমকি দেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.