Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৪ জুন ২০২৬
তারাতলা বিভীষিকা
Taratala

তারাতলা বিপর্যয়ে গ্রেপ্তার ৩, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের ঘণ্টাদেড়েকের মধ্যেই ‘অ্যাকশন’

মূল অভিযুক্তদেরও গ্রেপ্তার করা হবে বলেই জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement
নিরুফা খাতুন
নিরুফা খাতুন

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ২২:২০

link
নিরুফা খাতুন
নিরুফা খাতুন

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ২২:২০

options
link
তারাতলা বিপর্যয়ে গ্রেপ্তার ৩, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের ঘণ্টাদেড়েকের মধ্যেই ‘অ্যাকশন’ zoom
তারাতলায় গুদাম বিপর্যয়ে রাতেও জারি তল্লাশি। নিজস্ব চিত্র

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের ঘণ্টাদেড়েকের মধ্যেই ‘অ্যাকশন’। তারাতলায় গুদাম বিপর্যয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতরা হল সৈয়দ মহম্মদ গুলজার, মহম্মদ আতাউল ও সুভাষ চৌধুরী। জানা গিয়েছে, সৈয়দ মহম্মদ গুলজার ছিল ওই নির্মাণকাজের সুপারভাইজার। আতাউল এবং সুভাষই কাজের জন্য শ্রমিক সরবরাহ করত। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

বুধবার বেলা ১২টা ৭ মিনিটে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছে তারাতলার তিনতলাক গুদাম। ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়ে যান বহু শ্রমিক। খবর পাওয়া মাত্রই একের পর এক মন্ত্রী ঘটনাস্থলে যান। ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ঘটনাস্থলে পৌঁছন। উদ্ধারকাজের প্রতি মুহূর্তের আপডেট নিচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, দুপুর আড়াইটে নাগাদ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয় মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়ালের। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় উদ্ধারকাজে সেনার সাহায্য নেওয়া হবে। সেই মতো তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সেনা। দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় কাজ। ভার্টিকাল ড্রিলিংয়ের মাধ্যমে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। কে, কোথায় আটকে রয়েছেন তার হদিশ পেতে ড্রোন উড়িয়ে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। নামানো হয়েছে দু’টি স্নিফার ডগও। রাতেও চলছে উদ্ধারকাজ। ঘটনাস্থলে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব ও মুখ্যসচিব। দফায় দফায় বৈঠক করছেন তাঁরা।  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Taratala-Rescue
তারাতলায় রাতেও চলছে উদ্ধারকাজ। ছবি: সুমন দাস

ইতিমধ্যে এসএসকেএমে আহতদের সঙ্গে দেখা করতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, “তারাতলার কারখানায় কর্মরতদের বেশিরভাগই বিহার ও মুঙ্গেরের বাসিন্দা। ঠিক কতজন শ্রমিক ওই ধ্বংসস্তূপের নিচে কাজ করছিলেন, তার হিসাব পেতে লালবাজারকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শ্রমিক সরবরাহকারীকে অবিলম্বে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাহলেই জানা যাবে ঠিক কতজন শ্রমিক কাজ করছিলেন। কতজন নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। আর কতজন উদ্ধার হয়েছেন তা স্পষ্ট হবে।” তাঁর নির্দেশের ঘণ্টাদেড়েকের মধ্যে লালবাজারের তরফে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু হয়। বেহেরা ব্রাদার্সের খোঁজে বহুতলে তল্লাশিও চালান আধিকারিকরা। এরপরই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.