Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
TMC leader Kuntal Ghosh opens up in front of ED

Kuntal Ghosh: ‘নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত নই, ১০% কমিশন নিয়েছিলাম’, ইডি’র কাছে দাবি কুন্তলের

তৃতীয় ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন কুন্তল ঘোষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৩, ১২:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৩, ১২:৪৬

options
link
Kuntal Ghosh: ‘নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত নই, ১০% কমিশন নিয়েছিলাম’, ইডি’র কাছে দাবি কুন্তলের zoom

অর্ণব আইচ: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে সরাসরি তার যোগ নেই। তবে কোনও একজনের কাছ থেকে ১০ শতাংশ কমিশন পেয়েছিলেন। জেরায় এমনই দাবি জানিয়েছেন ইডি’র জালে ধৃত তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষ। কে এই তৃতীয় ব্যক্তি, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

চিনার পার্কের দু’টি ফ্ল্যাটে একটানা ২৬ ঘণ্টা তল্লাশির পর গ্রেপ্তার হন কুন্তল ঘোষ। তল্লাশি চলাকালীন দফায় দফায় ইডি আধিকারিকরা কুন্তলকে জেরা করেন। বারবারই জানতে চাওয়া হয় চাকরি দেওয়ার নামে সত্যিই কি টাকা নিয়েছে? ইডি সূত্রে খবর, চাকরি দেওয়ার নামে টাকা যে তোলা হয়েছিল তা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন যুব তৃণমূল নেতা। তবে তাঁর দাবি, কোনও চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে টাকা নেননি। তৃতীয় ব্যক্তি চাকরি দেওয়ার নামে টাকা তুলেছেন। তার কাছ থেকে কুন্তল ১০ শতাংশ কমিশন নিয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: হাতে চাবির গোছা, বাইপাসের ধারে আবাসনের নিচ থেকে উদ্ধার প্রাক্তন বিমানসেবিকার দেহ]

ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, কুন্তল ঘোষের জোড়া ফ্ল্যাট থেকে একটি ছাই রঙের ডায়েরি ও একটি বড় মাপের নোটের খাতা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দু’টিতে মোট ৪৯ কোটি ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকার লেনদেনের হিসাব। ইডি’র আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি আবেদনে জানান, প্রথমে মনে করা হয়েছিল দুর্নীতির ভারত মহাসাগর, কিন্তু পরে দেখা যাচ্ছে, এটি দুর্নীতির প্রশান্ত মহাসাগর। ছাই রঙের ডায়েরিতে তাপস মণ্ডল যে কুন্তল ঘোষকে ১৯ কোটি ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন, তার প্রমাণ মিলেছে। ১০ কোটি ৪৮ লক্ষ টাকা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ, ৩ কোটি ৩০ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা আপার প্রাইমারি শিক্ষক, ৫ কোটি ২৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা টেট ২০১৪ প্রার্থী নিয়োগের জন‌্য, যার মধ্যে ৩ কোটি ২৫ লক্ষ প্রার্থীদের পাশ করানোর জন‌্য নেওয়া হয়। অন‌্য খাতায় প্রাথমিক শিক্ষক, আপার প্রাইমারি, গ্রুপ সি ও ডি নিয়োগে কুন্তল ও তাঁর সঙ্গীরা ৩০ কোটি টাকা যে তুলেছেন, তার হিসাব রয়েছে।

তবে বিপুল পরিমাণ টাকা কীভাবে লেনদেন হত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কুন্তলের মুখে উঠে আসা তৃতীয় ব্যক্তিটিই বা কে, তা জানা যায়নি। কারণ, তৃতীয় ব্যক্তির কথা বললেও তার নাম জানায়নি কুন্তল। ধৃতকে জেরা করে এই সম্পর্কে আরও নানা তথ্য পাওয়া যাবে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।

[আরও পড়ুন: কেষ্টকে ছেঁটে ফেলছে তৃণমূল! মুখ্যমন্ত্রীর বীরভূম সফরে ছবিও থাকবে না অনুব্রতর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.