Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Durga Puja

Durga Puja: বহু বছরের গবেষণার ফলে দুর্গাপুজোকে স্বীকৃতি ইউনেস্কোর, নেপথ্যে এই গবেষক

রেড রোডের মঞ্চ থেকে গবেষককে সংবর্ধনা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২২, ২০:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২২, ২০:২৮

options
link
Durga Puja: বহু বছরের গবেষণার ফলে দুর্গাপুজোকে স্বীকৃতি ইউনেস্কোর, নেপথ্যে এই গবেষক zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। এই কথাটি বাঙালির প্রাণের উৎসব দুর্গাপুজোর (Durga Puja) ক্ষেত্রে একেবারে সুপ্রযুক্ত। বৈচিত্র্য হোক বা বৈশিষ্ট্য – নানা রঙে নানা রূপে দুর্গাপুজোর বিস্তার এতটাই যে মনে হয়, এ উৎসব সবার। এমনকী দুর্গাপুজোকে ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অফ হিউম্যানিটি’ স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেস্কোও জানিয়েছে, ধর্মীয় উৎসবের ঊর্ধ্বে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে বাঙালির এই প্রাণের উৎসব। আজ সেই উৎসবেরই আগাম সূচনা হয়ে গেল রেড রোডে। ক্যালেন্ডারের পাতায় ঠিক একমাস পর এবছরের শারদোৎসব। কিন্তু ইউনেস্কোর প্রতি রাজ্য সরকারের ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর থেকেই পুজোর গন্ধ এসে গেল বঙ্গে।

তবে ইউনেস্কোর (UNESCO) এই স্বীকৃতি কিন্তু একদিনেই মেলেনি। বহু বহু বছরের গবেষণা, পরিশ্রমের সুফলই দুর্গাপুজোর বিশ্বজয়। এর নেপথ্যে কিন্তু রয়েছেন কলকাতারই কৃতী সন্তান, গবেষক তপতী গুহঠাকুরতা। তাঁরই অক্লান্ত পরিশ্রম, সাধনা, গবেষণায় দুর্গাপুজোকে ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অফ হিউম্যানিটি’-এর তকমা দেওয়া ছাড়া কার্যত ইউনেস্কোর আর কোনও রাস্তা ছিল না। কে তপতী গুহঠাকুরতা?

Advertisement

প্রেসিডেন্সির কলেজের প্রাক্তন ছাত্রী, অধ্যাপিকা, গবেষক। বছর পঁয়ষট্টির তপতীদেবী ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সের সঙ্গে যুক্ত। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব নিয়ে তাঁর লেখা বই হয়ত পড়েছেন অনেকেই। কিন্তু তপতীদেবীর গবেষণা যে আরও অনেক গভীরে, তা বোধহয় জানতেন না কেউ।

[আরও পড়ুন: দেশে সবচেয়ে বেশি গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ বাংলায়, বলছে NCRB’র রিপোর্টে]

অধ্যাপিকা নিজেই জানিয়েছেন, দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতির জন্য ২০১২ সালে আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তা গ্রাহ্য হয়নি। ২০১৫ সালে দুর্গাপুজো নিয়ে তাঁর লেখা বই প্রকাশিত হয়। তা পড়ে ২০১৮ সালে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে দিল্লির সংস্কৃতি মন্ত্রক। ইউনেস্কোর কাছে জমা দেওয়ার জন্য তাঁকে একটি ‘ডসিয়ের’ বা তথ্য সম্বলিত গবেষণা পত্র তৈরি করতে বলা হয়। তপতীদেবী প্রথমে এই কাজে রাজি হননি। কিন্তু তাঁর দুই ছাত্রছাত্রী সন্দীপন মিত্র ও দেবী চক্রবর্তী তাঁকে সাহায্যের আশ্বাস দিলে অধ্যাপিকা গুহঠাকুরতা এই কাজে হাত দেন। মাত্র ৭ মাসের মধ্যে ডসিয়ের তৈরি করেন। ভারত সরকার সেই পুস্তিকা পাঠিয়ে দুর্গাপুজোকে ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অফ হিউম্যানিটি’-এর স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ইউনেস্কোর কাছে আবেদন করে।

[আরও পড়ুন: ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মঞ্চে মমতার পাশে সৌরভ, ‘ও আমার ছোট ভাই’, বললেন মুখ্যমন্ত্রী]

পরবর্তী কাহিনি সকলের জানা। এ বছরই বাংলার দুর্গাপুজোকে মানবতা-সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী উৎসবের তকমা দিয়েছে ইউনেস্কো। এদিন অনুষ্ঠানের পর তপতী দেবী সংবাদমাধ্যমের সামনে বলেন, ”যে যে ফ্যাক্টরের উপর ভিত্তি করে ইউনেস্কো এ ধরনের স্বীকৃতি দিয়ে থাকে, তার সবকটাই দুর্গাপুজোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আমার গবেষণায় আমি দেখিয়েছি, কীভাবে এই উৎসব ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে সকলের উৎসব হয়ে উঠেছে। বড় একটা ডসিয়ের আমি দিয়েছিলাম। আপনারা ওয়েবসাইটে গিয়ে সেই ডসিয়েরটি দেখতে পারেন। ইউনেস্কো সব দেখে মেনে নিয়েছে যে এটি একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক উৎসব।” এদিন রেড রোডের অনুষ্ঠানে তপতীদেবীকে সংবর্ধনা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে, ডোকরার দুর্গামূর্তি উপহার দেন। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.