BREAKING NEWS

৩ মাঘ  ১৪২৭  রবিবার ১৭ জানুয়ারি ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

গার্ডেনরিচে স্কুল বন্ধ করে বসল বিয়ের আসর! কাঠগড়ায় কাউন্সিলর

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: January 22, 2020 12:21 pm|    Updated: January 22, 2020 2:23 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  নিয়মিত স্কুলের ভবন ও জায়গা ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠল কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের ভবন আটকে অনুষ্ঠান বাড়ি হিসেবে ভাড়া দিচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। স্কুলের তরফে একাধিকবার বারণ করা হলেও তাতে কর্ণপাত করেননি তিনি। স্বাভাবিকভাবেই চরম সমস্যায় স্কুলের শিক্ষক ও পড়ুয়ারা।

মূলত আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া পড়ুয়াদের কথা ভেবেই গার্ডেনরিচের এই আর্য পরিষদ স্কুলে একটি ভবন তৈরি করেছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। শিক্ষকদের বেতন থেকে পড়ুয়াদের বই-খাতা এই সব কিছুই হয় আর্থিক সাহায্যে। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠানের জন্য স্কুল ভাড়া দিয়ে দেন কাউন্সিলর রাম পেয়ারি রাম। স্কুল জুড়ে তৈরি করা হয় প্যান্ডেল। আটকে দেওয়া হয় স্কুলের গেট। ফলে বিদ্যালয়ে গিয়েও বাড়ি ফিরতে হয় পড়ুয়াদের। একাধিকবার এবিষয়ে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে অশান্তি বিশাল আকার নেয় মঙ্গলবার। বুধবার স্কুলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। মঙ্গলবার শেষ মহড়া। কিন্তু এদিন সকালে স্কুলে পৌঁছে প্রধান শিক্ষিকা দেখতে পান যে গেটে তালা ঝুলছে। যেখানে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মঞ্চ হওয়ার কথা ছিল, সেই জায়গাটি ঘিরে ফেলা হয়েছে। স্কুলের বাইরেও বাঁশ পোতা হয়েছে। বাধ্য হয়েই কলকাতা পোর্টের পরিত্যক্ত জায়গায় প্র্যাকটিস শুরু করে পড়ুয়ারা।

[আরও পড়ুন: রাত বাড়তেই দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ! ‘অশরীরী’ আতঙ্কে কাঁটা চিকিৎসক পরিবার]

এবিষয়ে কথা বলা হলে প্রধান শিক্ষিকা কৃষ্ণা কাণ্ডা বলেন, “কাউন্সিলর রাম পেয়ারি রাম মাঝেমধ্যেই স্কুলের ভবন ভাড়া দেন। সেখানে বিয়ের আসর বসে। অনুষ্ঠান শেষে স্কুল অপরিচ্ছন্ন রেখে চলে যায় সকলে। অনুষ্ঠানের পর স্কুলের গেট খোলার জন্য বারবার অনুরোধ করতে হয় রাম পেয়ারি রামকে। ফলে প্রবল সমস্যায় পড়তে হয়।” তবে বিষয়টি আইন বিরুদ্ধ তা মানতেই নারাজ অভিযুক্ত কাউন্সিলর। তাঁর দাবি, স্কুলের দায়িত্বে রয়েছে কমিটি। সেই কমিটির সদস্য তিনি। তাই স্কুলের ভবন প্রয়োজনে ব্যবহার করার অধিকার রয়েছে এমনটাই জানান তিনি। কীভাবে স্কুলের আবাসনের উপর কোনও ব্যক্তি কর্তৃত্ব ফলাতে পারেন তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। দ্রুতই সমস্যা মোকাবিলার আবেদন জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষিকা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement