সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর্মহাস্ট স্ট্রিট এলাকার বহু পুরনো বাড়িতে অশরীরী আতঙ্ক। অভিযোগ, দিনে দুপুরে ঘটছে ভৌতিক কাণ্ড কারখানা। যেন সর্বক্ষণ পরিবারের সদস্যদের নজরবন্দি করে রেখেছে অদৃশ্য কেউ। আতঙ্ক ঘরে তালা বুলিয়ে এলাকা ছেড়েছেন প্রতিবেশীরা।
বহু বছর ধরে আর্মহাস্ট স্ট্রিটের ওই বাড়িতে ভাড়া থাকেন পেশায় হোমিও চিকিৎসক এক ব্যক্তি ও তাঁর পরিবার। আচমকা দিন তিনেক ধরে বেশ কিছু অদ্ভুত কাণ্ড কারখানা ঘটতে শুরু করে ঘরে, এমনটাই দাবি তাঁর। কিন্তু ঠিক কী ঘটছে? তাঁর কথায়, আচমকাই ঘরের দেওয়ালে টাঙানো ঘড়ি খুলে পড়ে যাচ্ছে মেঝেতে। হঠাৎ জল পড়তে শুরু করছে ছাদ থেকে। কখনও আবার খুলে যাচ্ছে আলমারি। ক্রমাগত দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ পেয়ে ছুটে এলেও দেখা মিলছে না কারও। কখনও আবার দড়িতে টাঙিয়ে রাখা জামাকাপড় পড়ে যাচ্ছে ঘরের মেঝেতে। ওই চিকিৎসকের দাবি, এসব কিছুই ভৌতিক কীর্তি। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যরা। যদিও সেখানে অশরীরী কোনও কার্যকলাপ নজরে পড়েনি বলেই জানান তাঁরা। কেউ পরিকল্পনামাফিক ভয় দেখানোর জন্যই একাজ করছেন বলেও দাবি করেন তাঁরা।
[আরও পড়ুন: ‘৫০ লক্ষ অনুপ্রবেশকারীকে দেশ ছাড়া করব’, কোচবিহারের সভা থেকে হুঁশিয়ারি দিলীপের]
এ প্রসঙ্গে ওই চিকিৎসকের প্রতিবেশীরা জানান যে, তাঁদের কাছেও গোটা বিষয়টি গোলমেলে বলেই মনে হচ্ছে। একজন জানান, তিনি ওই ব্যক্তির বাড়িতে গিয়েছিলেন। ফেরার সময় আমচকাই কিছু জামাকাপড় উড়ে এসে পড়ে তাঁর কাছে। তাঁর দাবি, তিনি চোখে না দেখলেও টের পেয়েছেন যে ওই পরিবারেরই এক যুবক টেনে জামাকাপড়গুলো ফেলেছে। একই অভিযোগ করেন এক মহিলা। তাঁর কথায়, অভিযু্ক্ত যুবককে নিজে হাতে ড্রয়ার খুলে তা ভৌতিক কাণ্ড বলে দাবি করেছেন। প্রসঙ্গত, ওই ভাড়াটিয়ার সঙ্গে বাড়ির মালিকের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। সেই কারণেই ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যেই এসব কাণ্ড ঘটনা হচ্ছে বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
বিজিবির তাড়া খেয়ে নো ম্যানস ল্যান্ডে তিনদিন! ১০ বাংলাদেশিকে হোল্ডিংসেন্টারে রাখল ‘মানবিক’ বিএসএফ
-
ঘরের এই দুই দিকে ভুলেও রাখবেন না জুতোর র্যাক, রুষ্ট হবেন দেবতারা
-
তৃণমূল নেতাকে নতুন দাওয়াই! পঞ্চায়েত প্রধানকে কান ধরে ওঠবস স্থানীয়দের, ভাইরাল ভিডিও
-
রণবীরের সঙ্গে সাদা কো-অর্ড ড্রেসে দীপিকা, উঁকি মারছে বেবি বাম্প! ভাইরাল ‘দীপবীর’ মোমেন্ট
-
পরিবেশ বিতর্কে নো পরোয়া, গ্রেট নিকোবর প্রকল্পে হবে নয়া বিমানবন্দর! ১৩ হাজার কোটি বরাদ্দ কেন্দ্রের