Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Suvendu Adhikari

দুর্নীতির ‘মাথা’ কে জানলে সাক্ষী হিসেবে আদালতে আসুন! নাম না করে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে খোঁচা কুণালের

মন্তব্যের নিন্দা করেছেন বিরোধীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২২, ১৪:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২২, ১৪:২৭

options
link
দুর্নীতির ‘মাথা’ কে জানলে সাক্ষী হিসেবে আদালতে আসুন! নাম না করে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে খোঁচা কুণালের zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে মরিয়া কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। দুর্নীতির জন্য সরাসরি শাসকদলকে কাঠগড়ায়ও তুলেছেন তিনি। এবার নাম না করে টুইটে এবার বিচারপতিকে বিঁধলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।

কলকাতা হাই কোর্টে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক মামলা চলছে। সেই মামলার শুনানিতে একাধিকবার শাসকদলকে নিশানা করেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কখনও বলেছেন ধেঁড়ে ইঁদুররা সামনে আসবে। কখনও আবার বলেছেন, “আমি ঢাকি সমেত বিসর্জন দিয়ে দেব।”  এসবের মাঝে বুধবার সকালে একটি টুইট করেন কুণাল ঘোষ। লেখেন, “দুর্নীতির যদি কেউ সব জানেন, ‘মাথা’ চেনেন, ‘ধেড়ে ইঁদুর’ জানেন বলে ভাব দেখিয়ে প্রচার চান, তাঁকে অবিলম্বে সেই মামলায় সাক্ষী হিসেবে তদন্তে ডেকে পাঠানো হোক। যিনি সব জানেন, তিনি শুধু সংলাপ দিয়ে মেগাসিরিয়াল চালাবেন কেন? আসুন তদন্তে।” টুইটে কুণাল ঘোষ কারও নাম নেননি, তবে মনে করা হচ্ছে তাঁর এই কড়া টুইট বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করেই। বিচারপতির চেয়ার ছেড়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে সাক্ষী হিসেবে আদালতে হাজিরার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন।

Advertisement

 এ প্রসঙ্গে বাম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “কুণাল ঘোষ ও তৃণমূল প্রমাণ করে দিয়েছেন ওনারা দোষী। আলাদা করে কারও কিছু প্রমাণ করার নেই।” তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন বলেন, “আমরা বিচার ব্যবস্থাকে শ্রদ্ধা করি। বিচার নিরপেক্ষ হোক। “

[আরও পড়ুন: অধ্যক্ষ ঘেরাও মুক্ত হলেও মেডিক্যাল কলেজে অশান্তি অব্যাহত, দাবি না মানলে আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.